19/05/2026
জিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের ফজিলত
জিলহজ্জের প্রথম ১০ দিন বছরের সবচেয়ে বরকতময় দিনগুলোর মধ্যে অন্যতম।
রাসূল ﷺ বলেছেন, এই দিনগুলোতে করা নেক আমল আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয়।
তাই এই দিনগুলোতে বেশি বেশি—
নামাজ আদায়
কুরআন তিলাওয়াত
জিকির ও ইস্তিগফার
দান-সদকা
নফল রোজা
দোয়া ও তওবা
করার চেষ্টা করা উচিত।
🕋 তাকবিরে তাশরীক
জিলহজ্জের গুরুত্বপূর্ণ আমলগুলোর একটি হলো তাকবিরে তাশরীক পড়া।
الله أكبر الله أكبر لا إله إلا الله
والله أكبر الله أكبر ولله الحمد
যিনি কুরবানি দেওয়ার নিয়ত করেছেন, তার জন্য জিলহজ্জের চাঁদ উঠার পর থেকে কুরবানি করা পর্যন্ত—
নখ না কাটা
চুল না কাটা
মুস্তাহাব আমল।
এটি হজ্জ পালনকারীদের সাথে কিছুটা সাদৃশ্য রাখার একটি সুন্দর সুন্নাহ।
তবে ভুলে বা প্রয়োজনবশত কেটে ফেললে গুনাহ হবে না, কুরবানিও সহিহ হবে ইনশাআল্লাহ।
যারা হজ্জে নেই, তাদের জন্য ৯ জিলহজ্জের রোজা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ।
হাদিসে এসেছে, এই রোজা বিগত এক বছর ও পরবর্তী এক বছরের ছোট গুনাহ মাফের কারণ হতে পারে।
কুরবানি শুধু পশু জবাই নয়।
এটি নিজের অহংকার, লোভ ও দুনিয়ার মোহ আল্লাহর জন্য ত্যাগ করার শিক্ষা।
হযরত ইবরাহিম (আ.) ও হযরত ইসমাইল (আ.)-এর আনুগত্যের মহান স্মৃতি বহন করে এই ইবাদত।
এই দিনগুলোতে আমরা চেষ্টা করতে পারি—
গুনাহ থেকে দূরে থাকতে
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ঠিকভাবে পড়তে
বেশি বেশি তাকবির পড়তে
কুরআন তিলাওয়াত করতে
অভাবীদের সাহায্য করতে
আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করে দোয়া করতে