08/09/2024
খরচ কমিয়ে কিভাবে বাড়ি নির্মাণ করবেন?
******************************************
দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন এনজিওতে দীর্ঘ ১৯ বছর কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে কিছু জিনিস শেয়ার করতে চাই, যা সার্বিক মানুষের উপকার না হলেও নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য এই লেখাটি কাজে আসতে পারে।
একটি বাড়ি একজন মানুষের সারাজীবনের স্বপ্ন। এক জীবনে একাধিক বাড়ি নির্মাণ করা আমাদের মতো সাধারণ মানুষের পক্ষে করা সম্ভব নয় বিধায় একটু হিসাব নিকাশের মধ্য দিয়ে চললে খরচ কমানো সম্ভব।
[আপামর সাধারণের সুবিধার্থে আমি ইঞ্জিনিয়ারিং এর কিছু জটিল শব্দ পরিত্যাগ করে সাবলীলভাবে লেখাটি তুলে ধরার চেষ্টা করছি।]
বাড়ি বলতেই আমাদের চোখের সামনে বিশাল অট্টালিকা ভেসে ওঠে, এটাই সবাই চিন্তা করি, স্বপ্নও দেখি। কিন্তু সর্বপ্রথম আমার নিজের সামর্থ্য সম্পর্কে বুঝতে হবে। আপনি ১ মণ ওজনের কিছু তুলতে পারেন, সেখানে ২ মণের চাপ কি নিতে পারবেন?
২ তলা বাড়ির জন্য ২ তলার ফাউন্ডেশনই তো করা উচিৎ, তাই নয় কি? ২ তলা বাড়ির জন্য অতিরিক্ত ৪ তলা ফাউন্ডেশন কেন করবেন? মাটির তলেই তো অনেক টাকা ফেলে রেখে দিবেন। আপনার সামর্থ্য আছে ২ তলা বাড়ি করার, সেটুকুতেই সন্তুষ্ট থাকেন। অযথা নিজে ঋণের বোঝা টানবেন, ঘরের বউকে বলবেন “যা বাপের কাছ থেকে টাকা নিয়ে আয় বাড়ির জন্য” (মশকরা করলাম)। ২ তলা বাড়ির জন্য ২ তলা ফাউন্ডেশন করলেই কিন্তু অনেক খরচ কমে যাবে। মাটির অবস্থা মোটামুটি ভালো থাকলে সেমি পাকা, ১ তলা ও ২ তলাতে কলাম এবং বীমের প্রয়োজন হয়না। কিন্তু সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয় লোডের সঠিক হিসাব করা।
আপনাকে জানতে হবে আপনার কত টাকা আছে বাড়িটির কাজ শেষ করার জন্য। ধরুন, আপনার পরিবারে আপনারা স্বামী স্ত্রী এবং ২ ছেলে মেয়ে নিয়ে বসবাস করবেন। সেইক্ষেত্রে আপনাদের রুম দরকার হবে ৩টি, একটি গেস্ট রুম। বাড়ি করার আগে, ডিজাইন করার আগে ঘরের সদস্যদের নিয়ে বসুন। তাদেরও একটা মতামত অবশ্যই আছে। ইঞ্জিনিয়ার/ আর্কেকিটেক্টকে দিয়েই বাড়ির ডিজাইন করান। এই লোকগুলো কিন্তু লেখাপড়া করেছে এই কাজের জন্য।
একজন মিস্ত্রি অভিজ্ঞ মানুষ, সেটা তার কাজের ক্ষেত্রে। শত শত বাড়ি করার অভিজ্ঞতা তার রয়েছে। কিন্তু একজন ইঞ্জিনিয়ার জানে একটা বাড়ির কলাম পিলার ফাউন্ডেশন কতটুকু চাপ নিতে পারে। ধরুন, RFL কোম্পানি একটা চেয়ার তৈরি করবে। কতটুকু মোটা বা চিকন পা বানাবে তা কিন্তু এই চেয়ারের ইঞ্জিনিয়ার জানে। এটা তাকে ১+১ = ২ যোগ করার মতো করে শিখে আসতে হয়েছে। মিস্ত্রির কাজ হলো, ইঞ্জিনিয়ার/আর্কিটেক্টদের দেয়া ডিজাইন অনুযায়ী কাজ করা।
আপনার নিজের বাড়িতে জমিদারি স্টাইলে মিস্ত্রি হেলপারদের হুকুম করা বাদ দিন। পারলে নিজে হেলপারের সাথে কাজে সহযোগিতা করুন। প্রতিদিন একজন হেলপারের সাথে কাজ করলে বাড়ির কাজ শেষ হলে ১৫ হাজার টাকা কি বাঁচাতে পারবেন না? (গ্রাম ও মফঃস্বলের দিকেই এটা সম্ভব, সবার জন্য প্রযোজ্য নয়)।
ভালো ইট, বালি, সিমেন্ট, খোয়া, সিমেন্ট চিনতে শিখুন।
আপনাকে ইঞ্জিনিয়ার বা মিস্ত্রি হিসাব দিল যে, এই কাজে ৫০০ ফুট বালি বা খোয়া লাগবে। আপনি দোকানে গিয়ে বললেন, ৫০০ ফুট বালি পাঠিয়ে দিন। তিনি ৫০০ ফুট বালির টাকা আপনার কাছ থেকে হিসাব করে রেখে দিলেন। আপনি কি আপনার বাসায় ৫০০ ফুট বালি পাচ্ছেন? প্রতি ভ্যান বা গাড়িতে বালি কম থাকবেই। কিন্তু আপনি তাকে ৫০০ ফুট বালির টাকা দিয়েছেন।
ভ্যান বা গাড়ি মাপতে শিখুন। ভ্যানের লম্বা x চওড়া x উচ্চতা গুণ করে ফেলুন। ধরুন, ভ্যানটির বালি রাখার জায়গা ৩ ফুট লম্বা, ২ ফুট চওড়া এবং বালির ভিতর কাঠি ভরে দিয়ে মেপে দেখলেন এর উচ্চতা ১.৫ ফুট বা দেড় ফুট। তাহলে বালি আছে কতটুকু? দোকানদারের সাথে চুক্তি করুন যে আমি বালি মেপে ফুট হিসাবে টাকা দেবো। সবাই যে আপনার শর্তে রাজি হবে তা নয়, তবে কাউকে না কাউকে পাবেন।
স্কয়ার ফুট এবং সিএফটি এর মাপ কিভাবে বের করতে তা শিখে ফেলুন। না জানলে নেট ঘাটুন, অনেকটা সোজা। এটা জানা থাকলে কাজের বিলের সময় মিস্ত্রি বা ঠিকাদার আপনাকে ঠকাতে পারবেনা।
বালি কিনে নিয়ে এসে বাসার সামনে ফেলে রাখলেন। কুকুরে ঠ্যাং উচিয়ে হিসু করবে, কুকুর বিড়াল মোরগ মুরগি মারামারি করবে, বাতাসে উড়ে যাবে, পাশের বাড়ির কারো মেঝে নষ্ট হয়েছে, সে রাতের আঁধারে এক বালতি বালি নিয়ে যাবে। মেপে বালি আনার পরে তাহলে কতটুকু বালি পাচ্ছেন? এক ফুট বালির দাম ৩৫ টাকা হলে পুরো বাড়ির কাজ শেষ হলে এমন কত ৩৫ টাকা লস দিচ্ছেন? ৪/৫ হাজার?
বালি কিনে আনার পর তার উপর ইট বা পলিথিন এই টাইপের কিছু দিয়ে ঢেকে রাখুন।
খুচরা খোয়া না কিনে পিকেট কিনে খোয়া করুন। ১/২ নম্বর ইটের খোয়ার উপর কিছু কালো রঙের পোড়া ইটের খোয়া মেশালেই কিন্তু তা পিকেট ইটের খোয়া হয়না। কিন্তু আপনি এসবের দাম কিন্তু ১ নম্বরের পরিশোধ করছেন।
রড মাটি বা মেঝের উপর রাখবেন না। অন্তত কয়েকটা ইটের উপর রাখুন।
ইঞ্জিনিয়ারকে নিয়ে মিস্ত্রির সাথে ডিজাইন নিয়ে বসুন।
সামর্থ্য কম? ইটের দেয়ালে প্লাস্টার করা বাদ দিন। ইটের গায়ে পয়েন্টিং করুন। নেট তো সবাই চালাই। ফেসবুক ইউটিউবের পিছনে না ঘুরে ইটের পয়েন্টিং লিখে গুগলে সার্চ দিলেই তো অনেক কিছু পাবেন। ২/৩ বছর পরপর রঙ করার খরচ বাঁচবে। পয়েন্টিং এর গাঁথুনিতে মসলা দিতে হয় সমান করে। ইট বসিয়ে দুই পাশে ৮ মিলি রড ব্যবহার করুন, মসলা এক বিন্দুও নষ্ট হবেনা। প্লাস্টারের দেয়ালের মতো এবড়োথেবড়ো করে নয়। ফলে সিমেন্ট বালিও বাঁচে। মিস্ত্রি খরচ সামান্য বেশি হলেও কাজ শেষে দেখবেন ২০%-২৫% টাকা বেঁচে গিয়েছে। দেখতেও তো ভালো লাগে।
পয়েন্টিং এর ক্ষেত্রে সাধারণ ভাটা, অটো ব্রিকস বা সিরামিকের যে ইট ব্যবহার করুন না কেন ইটের গায়ে সিমেন্ট বালি কিংবা মসলার পানি জমতে দিবেন না। পরিস্কার পানিতে ফোম ভিজিয়ে মুছে দিন। এটা নিজে করবেন। হেলপার দিয়ে এই কাজ হয়না। বাড়ির কাজ শেষ হলে পয়েন্টিংকৃত দেয়ালে ভার্নিশ এর একটা কোট বা যেকোনো তেল দিতে পারেন। অবশ্য এটা দিবেন ৫/৬ মাস পর। বছরে একবার দিলেই হবে, না দিয়েও ভালো লাগে। পয়েন্টিং এর মসলায় সিমেন্ট সামান্য একটু বেশি দিবেন।
টয়লেটের মধ্যে সাবান দানিটাও কিন্তু একটা ইট ঘুরিয়ে দিয়েও করা যায়। এতে কি ১৫০ টাকা বাঁচেনা?
ফেরো সিমেন্টের কাজ দিয়ে নিজেদের মতো করে টাইলস বানানো যায়। পুঁজি কম থাকলে টাইলস আপাতত বাদ দিন।। ফেরো সিমেন্ট কি তার বিস্তারিত জানতে নেট ঘাটুন।
১টা ইটের দাম যদি ১২ টাকা হয়, তাহলে এভাবে ১২ টাকা করে বেহুদা খরচ বাঁচাতে থাকুন। কাজ শেষে ১০/২০/৩০ হাজার এমনিতেই বাঁচাতে পারবেন।
ঘরের মধ্যে পর্যাপ্ত আলো বাতাস আসতে দিন। ১০ বছর আগের গরম আর ২০২২ সালের গরম কিন্তু এক নয়। ২০৩৫ সালের গরম কেমন হবে?
একজন আর্কিটেক্টকে দিয়েই বাড়ির ফ্লোর প্লান এবং আউটলুক ডিজাইন করুন, এটা আর্কিটেক্ট এর কাজ। এগুলো তৈরি হলে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার বাড়ির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন করবেন। যার কাজ তাকে দিয়ে করান, কাজ ভালো হবে।
প্রায় সময়ই আমাদের কাছে অনেকেই নিজে নিজে ফ্লোর প্লান এঁকে জিজ্ঞাসা করেন এই বাড়ির খরচ কত হবে? আরে ভাই, ফ্লোর প্লান তৈরি করার আপনি কে? কয়টা বক্স এঁকে দিলেই বাড়ি হয়ে যায়? এতো সহজ? বাংলার শিক্ষকেরা ইতিহাসের ক্লাস নিতে গেলেই সমস্যায় পড়ে। আপনি তো টেকনিক্যাল কোন ব্যক্তি নন।
কিউরিং, অর্থ পানি দিয়ে ভিজানো। সিমেন্টের কাজ যেখানেই আছে সেখানেই কিউরিং করতে হবে। নামীদামী ইঞ্জিনিয়ার, বিখ্যাত মিস্ত্রি, নামীদামী সব ব্র্যান্ডের মালামাল ব্যবহার করুন না কেন ঢালাই বা প্লাস্টার কাজের স্থায়িত্ব নির্ভর করবে আপনি কতটা সঠিকভাবে কিউরিং করছেন। প্লাস্টিকের মগে বা বদনায় করে সামান্য না ভিজিয়ে গোসল করান।
সিমেন্ট বালুর মসলা তৈরি করলে তার কাজ ৪৫ মিনিটের মধ্যে শেষ করুন। নয়তো সিমেন্টের শক্তি কমে যাবে।
আসলে বাড়ি নির্মাণ মানেই টেকনিক্যাল ব্যাপার স্যাপার। এভাবে কতটা বোঝানো যায় বুঝতে পারছিনা। ২ বছরে এই ধরণের প্রায় ৩০টি বাড়ি তৈরি করেছিলাম, সেই আলোকেই শেয়ার করেছি।
ভাই, আমার এতোটুকু জায়গা আছে। আমি একটা বাড়ি করতে চাই দোতলা ফাউন্ডেশনের, কত খরচ হতে পারে? প্লিজ এই ধরণের প্রশ্ন করা থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিন। ৪ হাজার টাকার মোবাইলেও ক্যামেরা থাকে, দেড় লক্ষ টাকার মোবাইলেও ক্যামেরা থাকে। স্থান, পরিবেশ, পাত্র কাল, জমির ধরণ, আপনার চাহিদা, আপনার বাজেট ইত্যাদির উপর খরচ নির্ভর করে। এটা ফেসবুকের একটা কমেন্টসের উত্তরে হয়না। যতক্ষণ পর্যন্ত কোন ডিজাইন চূড়ান্ত না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত কেউই বাড়ির খরচ কত হবে জানাতে পারবেনা। যিনি জানায়, তিনি স্কয়ার ফুট প্রতি ২২০০/২৮০০ টাকা ধরে বলে দেয়। উনি বলে দিলেন আরে মিয়া ১৫ লক্ষ টাকার মধ্যে হয়ে যাবে। উনি কিন্তু আপনার জমি দ্যাখেনি, মাটির ধরণ জানেনা, আপনি কোন ধরণের জানালা দরজা, বাথরুম ফিটিংস ব্যবহার করবেন তাও না জেনে আপনাকে কাজে নামিয়ে দিলেন। এখন আপনার যদি ১৮ লক্ষ টাকা খরচ হয় তাহলে বাকি ৩ লক্ষ টাকা কোথায় পাবেন?
মিস্ত্রি বা ঠিকাদার যাকেই কাজে নিবেন তার সাথে অবশ্যই লিখিত চুক্তি করে নিবেন। পরিচিত মিস্ত্রি, লজ্জা পাচ্ছেন লিখিত চুক্তি করতে? হ্যাঁ, তবুও লিখিত চুক্তি করতে হবে। লজ্জা নারীর ভূষণ, আপনার নয়। ৩০০ টাকার ষ্ট্যাম্পে NID কার্ডের ফটোকপি, ছবি সহ চুক্তি করুন। চুক্তিপত্র অবশ্যই কোন আইঞ্জীবীর মাধ্যমে নোটারি পাবপ্লিক রেজিস্ট্রেশন করুন। ১০০০ টাকার বেশি খরচ হবেনা। কোন পক্ষ ঝামেলা করলে আইনী ব্যবস্থা নিতে পারবেন। মিস্ত্রির সাথে চুক্তিনামার কপি আমাদের পেইজে ২৪ জুন পোষ্ট করা হয়েছে, পেইজে ঘুরে এসে সংগ্রহ করে নিন।
আপনার জমি, আপনার টাকা- তাহলে আপনার বাড়িতে কোন ইঞ্জিনিয়ার এবং আর্কিটেক্ট এসে ডিজাইনের দায়িত্ব নিবে তা কি করে হয়? আপনি নিজেই এক মাতবর, আপনার পরিচিত মিস্ত্রি করিম চাচা আছে। আপনারা দুজনে মিলে করে ফেললেন একটা ২ তলা বাড়ি। ২ বছর পার হবার পর বুঝলেন ঘরে আলো বাতাস আসেনা, দম বন্ধ বন্ধ লাগে, এখানে এটা হলে ভালো হতো, ওটা হলে ভালো হতো ইত্যাদি। আপনার ও করিম চাচার ডিজাইনে এমনই হবে। ভালো করে শুনুন, কোন ইঞ্জিনিয়ার কিন্তু একা ডিজাইন করতে পারেনা। আর্কিটেকচারাল অনেক বিষয় থাকে যা ইঞ্জিনিয়ার জানেনা। একজন ইঞ্জিনিয়ারকে আর্কিটেকচারাল বিষয় শেখানো হয়না কিংবা একজন আর্কিটেক্টকেও ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে শেখানো হয়না। সামান্য কিছু শেখানো হয়। লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে বাড়ি করবেন কি করিম চাচার ডিজাইনে?
একটা বাড়ির ডিজাইন করবে আর্কিটেক্ট এবং ইঞ্জিনিয়ার, মিস্ত্রি কিংবা আপনি নন।
আমাকেও প্রচুর শিখতে হয়েছে। রাস্তা দিয়ে হাঁটতে গেলেও এদিক সেদিক তাকিয়েছি নতুন কিছু আবিষ্কারের আশায়। সাথের ২/১ জন কলিগ এবং মাথার উপর ছাদ হয়ে থাকা ২/১ জন শিক্ষকের জন্যই এগুলো করতে পেরেছি। এগুলো দেখতে যখন আফ্রিকা, আমেরিকা, ইংল্যান্ড থেকে বিভিন্ন এনজি'র লোক এসেছেন, তাদেরকে যখন দেখাতে পেরেছিলাম, বাহবা পেয়েছিলাম, তখন নিজের জন্য নয় "আমরাও পারি" বলে খুব গর্ব হতো। মনের সন্তুষ্টির জন্যই এই কাজগুলি।
আমরা আরেকটা জায়গায় বেশি ভুল করি। একটা বাড়ির ডিজাইন হয় অন্তত ৩০/৪০ পাতা। আমরা নেট থেকে একটা ফ্লোর প্লান ও থ্রিডি ডিজাইন নামিয়ে নিজের মাতব্বরি ও মিস্ত্রির সহযোগিতায় বাড়ি করে ফেলি। কিন্তু একটা ফ্লোর প্লান হয় বাড়িটি কোনমূখী হবে তার উপর। কোন দেয়ালে রোদ পড়ছে সারাক্ষণ ইত্যাদি হিসাব নিকাশ আছে। কিছু বক্স আঁকালেই বাড়ির ফ্লোর প্লান হয়না।
বাড়ির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন, আর্কিটেকচারাল ডিজাইনের বাইরে ইলেক্ট্রিক্যাল ও প্লাম্বিং (স্যানিটারি কাজের ডিজাইন) করতে হয়। অনেকে মনে হয় আকাশ থেকে পড়লেন? ইট বালুর সঠিক হিসাব করলেন। কিন্তু ইলেক্ট্রিক তার, স্যানিটারি পাইপ ও ফিটিংস কি মিস্ত্রির পরামর্শে করবেন? আপনার হাতে সকল প্রকার ডিজাইন থাকলে সে অনুযায়ী ইলেক্ট্রিক্যাল ও প্লাম্বিং কাজ করতে পারবেন। ১ ফুট পাইপ কমাতে পারলেও তো কিছু টাকা বাঁচবে।
আপনার কাঙ্ক্ষিত বাড়িটির সকলপ্রকার ডিজাইন ও নির্মাণের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন, হোক তা দেশের যেকোন প্রান্তে।
[ছবিগুলো আমাদের ডিজাইন করা বিভিন্ন বাড়ির ছবি]
আশিক
বাড়ি - Engineering & Architecture
সিভিল ইঞ্জিনিয়ার,
খুলনা
01711199422 (WhatsApp Only)