Mr.&Mrs. Gazi

Mr.&Mrs. Gazi Allah i's the best planner
(9)

আপনি কি কখনো  রাস্তার কুকুরকে আদর করার পর হাত না ধুয়েই খাবার খেয়েছেন??অথবা বাজার থেকে আনা শসা, গাজর, ধনেপাতা শুধু পানি দ...
16/05/2026

আপনি কি কখনো রাস্তার কুকুরকে আদর করার পর হাত না ধুয়েই খাবার খেয়েছেন??
অথবা বাজার থেকে আনা শসা, গাজর, ধনেপাতা শুধু পানি দিয়ে ধুয়ে কাঁচাই খেয়ে ফেলেন??
গরু-ছাগল বা পশুর সংস্পর্শে কাজ করার পর কি সবসময় সাবান দিয়ে হাত না ধুয়েই খেতে বসে যান??
যদি উত্তর “হ্যাঁ” হয়…....
তাহলে এই লেখাটা আপনার জন্য।
কারণ পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর কিছু পরজীবী মানুষের শরীরে ঢোকে এ বদ- অভ্যাস গুলোর মধ্য দিয়ে......
শরীরের ভিতরে ঢুকে বছরের পর বছর বেঁচে থাকে।

এই লোকটার পায়ের ফোলাটাও প্রথমে সাধারণ মনে হয়েছিল।
হালকা ফুলে ছিল, ব্যথা কম,জ্বর নেই।।
কেউ ভাবেনি তার পায়ের মাংসের ভিতরে জীবন্ত পরজীবীর বংশবিস্তার চলছে।।
MRI করার পর দেখা গেল,,
পুরো পায়ের ভিতরে অসংখ্য পানিভর্তি সিস্ট।
একটার ভিতরে আরেকটা।( Daughter Cyst)
রোগটার নাম Hydatid Disease।।
এটি হয় Echinococcus নামের টেপওয়ার্ম থেকে, যা সাধারণত কুকুর ও গবাদি পশুর শরীরে থাকে।।
পরজীবীর ডিম মল থেকে ছড়িয়ে পড়ে
মাটি, শাকসবজি
পানি
হাতের মাধ্যমে
তারপর অজান্তেই সেই ডিম মানুষের পেটে চলে যায়।

এই সিস্টগুলো সবচেয়ে বেশি হয়: লিভারে ও
ফুসফুসে
তবে কখনো কখনো তা চলে যায় পেশি, হাড়, এমনকি মস্তিষ্কেও।।।

সিস্ট ফেটে গেলে মুহূর্তেই পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে সংক্রমণ।
হতে পারে মারাত্মক এলার্জিক শক।
মৃত্যুও হতে পারে........

তাই এখন থেকেই সতর্ক হোন।
১/কাঁচা সবজি খুব ভালোভাবে ধুয়ে খান

২/কুকুর বা পশু স্পর্শ করার পর সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন

৩/পশুকে নিয়মিত deworming করান

৪/অস্বাভাবিক ফোলা বা গুটি অবহেলা করবেন না

৫ / নিয়মিত কৃমিনাশক ঔষধ খেতে ভুলবেন না

ডা.আব্দুর রহমান

খুব সহজ একটা ব্যাপার আমরা ইচ্ছা করেই বুঝতে চাই না।।বছরের পর বছর অনিয়ন্ত্রিত খাবার খাবে কে??রাস্তার পাশে যা পাবে তাই খাবে...
15/05/2026

খুব সহজ একটা ব্যাপার আমরা ইচ্ছা করেই বুঝতে চাই না।।
বছরের পর বছর অনিয়ন্ত্রিত খাবার খাবে কে??
রাস্তার পাশে যা পাবে তাই খাবে কে??
নাগা ফুচকা, জাঙ্কফুড, কোল্ড ড্রিংকস,ম/দ দিয়ে প্রতিদিন শরীরটা শেষ করবে কে?
আপনার নিজের সন্তান।
ফ্যাটি লিভার ধরা পড়ার পরও ডায়েট বদলায়নি,
ওজন কমানোর চেষ্টা হয়নি,
জীবনযাত্রায় কোনো নিয়ন্ত্রণ আসেনি।
তাহলে প্রশ্ন হলো,
একজন বাবা হিসেবে আপনি কতটুকু দায়িত্ব পালন করেছেন??
সন্তানকে দামি ফোন দেওয়া সহজ,,
কিন্তু “না” বলতে শেখানো কঠিন।।
খাওয়ার স্বাধীনতা দেওয়া সহজ,,
কিন্তু শৃঙ্খলা শেখানো কঠিন।,
আর আমাদের সমাজের সবচেয়ে পরিচিত দৃশ্য কী জানেন?...
রোগ হওয়ার আগে কেউ ডাক্তারদের কথা শুনে না।
কিন্তু রোগ জটিল হয়ে গেলে সব দোষ গিয়ে পড়ে “বাংলাদেশের ডাক্তারদের” ঘাড়ে।।
আমরা যেন শুধু শেষ মুহূর্তের মানুষ।।
যখন শরীর ভেঙে যায়, তখনই সবাই চিকিৎসক খোঁজে।
তারপরও একজন ডাক্তার হিসেবে বলবো,
রাগ, অভিযোগ, অপমান সবকিছুর পরও আমরা রোগীর সুস্থতাই চাই।।

সময় থাকতে সচেতন হোন নইলে ব্লেইম গেম খেলেও লাভ হবেনা......

ডা.আব্দুর রহমান

গরুর দুধ খাবে বাছুর,তোমার ছোট্ট দুধের বাচ্চাকে গরুর দুধ দিতে হয় কেন হে অধর্ব!এমন জাহেল, মুর্খ মায়েদের কারণেই শিশু ওয়ার্ড...
15/05/2026

গরুর দুধ খাবে বাছুর,
তোমার ছোট্ট দুধের বাচ্চাকে গরুর দুধ দিতে হয় কেন হে অধর্ব!
এমন জাহেল, মুর্খ মায়েদের কারণেই শিশু ওয়ার্ডগুলোতে জায়গা পাওয়া যায় না।
এক বেডে ৩-৪টা বাচ্চা রেখে চিকিৎসা দিতে হয়।
কেউ শ্বাসকষ্টে, কেউ নিউমোনিয়ায়, কেউ ডায়রিয়ায় শুকিয়ে কাঠ…...
সেদিন চেম্বারে এক বাচ্চা আসলো।,
শ্বাসকষ্ট নিয়ে।,
বুকের ছাতি দেবে যাচ্ছে, নিঃশ্বাস নিতে যুদ্ধ করছে।
পরে হিস্ট্রি নিতে গিয়ে শুনলাম, জন্মের পর থেকেই গরুর দুধ আর বাইরের ফর্মুলা খাওয়ানো হচ্ছে।....
মাকে জিজ্ঞেস করলাম,,,
“কেন?”
খুব স্বাভাবিকভাবে বললো,,,
“আমার সব বাচ্চাকেই এভাবেই পালছি।”
তখনই বুঝলাম, এরে বুঝিয়ে লাভ নাই।
কারণ আমাদের সমাজে কিছু মানুষ আছে, যারা ভুলকে এত বছর ধরে করতে করতে সেটাকেই সত্যি মনে করে বসে আছে।
একটা নবজাতক শিশুর শরীর গরুর দুধ সহ্য করার জন্য তৈরি না।
তার কিডনি, তার পেট, তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কিছুই তখনো পরিপূর্ণ না।
তার দরকার মায়ের বুকের দুধ।
এই বুকের দুধই তার প্রথম ভ্যাকসিন, প্রথম নিরাপত্তা, প্রথম জীবন।..
তারপরও মানুষ নিজের অজ্ঞতা নিয়ে কত গর্ব করে!
আসলে যারা মা হওয়ার যোগ্যতা রাখে না, কেন জানি অনেক সময় সন্তান তাদের ঘরেই আসে…...
আর অনেকে আছে, একটা সন্তান পেলে কলিজায় গেঁথে রাখতো, অথচ তারা নিঃসন্তান।
হে আল্লাহ,,,
যাদের কোল খালি তাদের কোল ভরে দিন।....
আর যাদের সন্তান দিয়েছেন, তাদের অন্তত সন্তানটার হক বুঝার তাওফিক দিন।...

ডা.আব্দুর রহমান

বাবলু গাজী, পেশায় মৌয়াল, সুন্দরবনে মধু আহরণ করতে গিয়েছিলো ৫-৬ জনের দল নিয়ে।। মধু আহরণের এক পর্যায়ে তিনি পিছনে এবং বাকিরা...
15/05/2026

বাবলু গাজী, পেশায় মৌয়াল, সুন্দরবনে মধু আহরণ করতে গিয়েছিলো ৫-৬ জনের দল নিয়ে।।

মধু আহরণের এক পর্যায়ে তিনি পিছনে এবং বাকিরা সামনে চলে যায়, তখন হঠাৎ একটা বড় বাঘ জঙ্গলের ভিতর থেকে লাফ দিয়ে ওনার ঘাড়ে থাবা মারে, পরে ডান পাশে কাধে কামড় দেয়, খামচি দেয়। চাচার অসীম সাহসিকতায়, বাঘের সাথে মিনিট দশেক যুদ্ধ করে এযাত্রায় বেঁচে ফিরেন।।

ভর্তি আছেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অর্থোপেডিক্স ওয়ার্ডে, আমাদের ডা বিকে স্যার বলছেন এমন অনেক বড় প্রফেসরও আছে যারা এখনো বাঘের আক্রমণের শিকার হওয়া রুগী দেখেনি, আর তোমরা এখনই দেখে ফেললা।।..

সুন্দরবনের মোটামুটি কাছের মেডিকেলে পড়ার বেনিফিট এটাই :3

✒️Tanvirul Haque

১২ বছরের সংসার।ঘরে দুইটা ফুটফুটে রাজপুত্রের মতো সন্তান।স্বামী ভালো, দেখতে শুনতেও আলহামদুলিল্লাহ, টাকাপয়সারও কোনো অভাব নে...
15/05/2026

১২ বছরের সংসার।
ঘরে দুইটা ফুটফুটে রাজপুত্রের মতো সন্তান।
স্বামী ভালো, দেখতে শুনতেও আলহামদুলিল্লাহ, টাকাপয়সারও কোনো অভাব নেই।
সব ঠিকঠাকই ছিল
অভাব ছিল শুধু একটাই—চরিত্রের।.....
ছেলেটা বুঝতেই পারেনি, তার অজান্তেই ৪–৫ বছর ধরে অন্য এক সম্পর্কে জড়িয়ে ছিল এ দুশ্চরিত্রা মহিলা।
আজকাল এই জিনিসটা অনেক সহজ হয়ে গেছে।
পরকীয়া যেন কিছু মানুষের কাছে ফ্যাশনের মতো হয়ে গেছে।,,
কারও টার্গেট বিবাহিত নারী, কারও টার্গেট বিবাহিত পুরুষ।,
আর মাঝখানে ভেঙে যায় একটা সংসার।,,
কাঁদে দুইটা বাচ্চা,এক ভয়ংকর ট্রমার ভেতর দিয়ে বড় হয় এরা....
এগুলো দিন দিন বেড়েই চলেছে।।
আর এর সবচেয়ে বড় কারন বিচারহীনতা......
পরকীয়ার কোন বিচার নাই দেশে, নষ্টা তামিমা যখন নাসির কে বিয়ে করে পরকীয়া করে তখন এদের দুইজনের ফাঁসি হলে এরকম আরো ১০ টা ঘটনা ঘটত না,,
জাহের আলভী-তিথী ঘটনায় আলভী গ্রেপ্তার পর্যন্ত হয়নি,জেফারের কোন বিচার হয়নি,,
এভাবেই সুকৌশলে পশ্চিমারা পরকীয়া কে এসব দুশ্চরিত্র মহিলাদের দিয়ে সমাজে এস্টাবলিশ করছে......

আপনি আমি সচেতন হচ্ছি.,,,?
না, কারন আমরা বাঙালিরা নিজেরা ভুক্তভোগী না হলে কখনো ঘুম ভাঙেনা আমাদের......।
ছবিতে সন্তানদের জড়িয়ে অঝোরে কাঁদছেন এক স্বামী,,, যিনি বিশ্বাসই করতে পারছেন না দুইটা সন্তান রেখে কিভাবে পরকীয়া করতে পারে দুই সন্তানের জননী!!
ছি! !

ডা.আব্দুর রহমান ゚

আপনার কি মাঝে মাঝে বুকের ভিতর চাপ চাপ লাগে??হাঁটলে আগের মতো শক্তি পান না??সিঁড়ি উঠলে হাঁপিয়ে যান??রাতে হঠাৎ বুক ধড়ফড় করে...
15/05/2026

আপনার কি মাঝে মাঝে বুকের ভিতর চাপ চাপ লাগে??
হাঁটলে আগের মতো শক্তি পান না??
সিঁড়ি উঠলে হাঁপিয়ে যান??
রাতে হঠাৎ বুক ধড়ফড় করে??
তারপর নিজেকেই বুঝ দেন,,
“….. গ্যাস..…”
“বয়স বাড়তেছে...…”
“এত টেনশন করলে এমন হবেই…...”

৫৮ বছরের একজন মানুষ
একদম সাধারণ জীবন।।
সকাল হলে কাজে যেতেন, মানুষের সাথে হাসতেন, বাজার করতেন, পরিবার নিয়ে চিন্তা করতেন।
বড় কোনো অসুখ ছিল না।
কমপক্ষে উনি তাই ভাবতেন।
তারপর একদিন সকালে বুকের ভিতর ভারী লাগা শুরু হলো।
তীব্র ব্যথা না।
শুধু মনে হচ্ছিল বুকের উপর কেউ পাথর চাপা দিয়ে রেখেছে।
তিনি ভাবলেন একটু পর ঠিক হয়ে যাবে।
হার্টের রক্তনালী আস্তে আস্তে সরু হয়ে যাচ্ছিল বছরের পর বছর ধরে।।
আমরা যেভাবে ঘরের পাইপের ভিতরে ময়লা জমে পানি চলার রাস্তা ছোট হয়ে যায়,
ঠিক সেভাবেই রক্ত চলার পথ ছোট হয়ে যায়।।

অল্প কাজেই ক্লান্ত লাগা
বুকের মাঝখানে চাপ লাগা
হাঁটলে দম ফুরিয়ে যাওয়া
আগের মতো শক্তি না পাওয়া
হঠাৎ ঘাম হওয়া
বাম হাত বা চোয়ালে অস্বস্তি
এগুলাকে অবহেলা করবেন না।

আমরা বিশ্বাস করতে চাই, “আমার কিছু হবে না।”
কিন্তু হার্ট অ্যাটাক সময় দেয়না......

প্লিজ অবহেলা করবেন না।।

কি করলে হার্ট ভালো থাকবে??
বরং প্রতিদিনের ছোট ছোট কিছু অভ্যাসই হার্টকে ধীরে ধীরে বাঁচায়… আবার ধ্বংসও করে।

🖤 হার্ট সুস্থ রাখতে যা করবেন:

•😒১/ প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন
জিম করতে হবে না।
নিয়মিত হাঁটাটাই অনেক বড় ওষুধ।।

২/ ধূমপান বাদ দিন
একটা সিগারেটও হার্টের রক্তনালীর ক্ষতি করে।
“মাঝে মাঝে খাই” বলেও অনেক মানুষ ICU তে যায়।।

৩/ তেল-চর্বি কমান
প্রতিদিন গরু-খাসি, ফাস্টফুড, ভাজাপোড়া…..
এগুলো ধীরে ধীরে রক্তনালী বন্ধ করে।..

৪/ ঘুম ঠিক করুন
রাত জেগে থাকা, অল্প ঘুম, অতিরিক্ত স্ট্রেস….
এসব হার্টের উপর ভয়ংকর চাপ ফেলে।।

৫/ সুগার, প্রেসার, কোলেস্টেরল চেক করুন
অনেক মানুষের এগুলো থাকে কিন্তু টেরই পায় না।
আর ভিতরে ভিতরে হার্ট নষ্ট হতে থাকে।।

৬/ ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
পেটের মেদ শুধু সৌন্দর্যের সমস্যা না।
এটা হার্টেরও শত্রু।।

৭/ রাগ, টেনশন, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা কমান
সব চিন্তা একা মাথায় রাখবেন না।।

যদি মাঝে মাঝে বুক চাপ লাগে, হাঁটলে হাঁপান, বাম হাতে অস্বস্তি হয়, অকারণে ঘাম হয়…
একটা ECG, Echo বা ডাক্তার দেখানো আপনার জীবন বাঁচিয়ে দিতে পারে।
হার্ট ভালো রাখার জন্য শুধু ওষুধ না,
জীবনযাপনও বদলাতে হয়।

ডা.আব্দুর রহমান

একদিন…...এই শরীরটাই বদলে যাবে।যে শরীর নিয়ে এত অহংকার, এত সাজসজ্জা, এত দৌড়ঝাঁপ, এত হিসাব…..মাটির নিচে যাওয়ার পর ধীরে ধীরে...
15/05/2026

একদিন…...
এই শরীরটাই বদলে যাবে।
যে শরীর নিয়ে এত অহংকার, এত সাজসজ্জা, এত দৌড়ঝাঁপ, এত হিসাব…..
মাটির নিচে যাওয়ার পর ধীরে ধীরে সেটাই ফুলে উঠবে, রঙ বদলাবে, চামড়া আলাদা হয়ে যাবে।
মৃত্যুর পর দেহে ব্যাকটেরিয়া গ্যাস তৈরি করতে শুরু করে।
শরীর ফুলে যায়।।
সবুজাভ কালচে রঙ ধারণ করে।
চামড়া উঠে যেতে থাকে।
হাত-পায়ের ত্বক আলাদা হয়ে যায়।
কখনো মনে হয় নখ বড় হয়ে গেছে…..
আসলে নখ নয়, শরীর শুকিয়ে যাওয়ায় চামড়া সরে যায়।।।
যে মুখে একসময় হাসি ছিল,
যে হাতে প্রিয়জনকে জড়িয়ে ধরা হতো,
যে শরীরকে ঘিরে ছিল এত ভালোবাসা…
সময় পেরোলে সেটাই মাটির সাথে মিশতে থাকে।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা কত স্পষ্ট করেই না বলেছেন:
“প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।”
মৃত্যু কোনো গল্প নয়।
এটা আমাদের প্রত্যেকের নিশ্চিত ভবিষ্যৎ।।
তবুও আমরা কত সহজে ভুলে যাই!!
নামাজ পিছিয়ে দিই,,
মানুষকে কষ্ট দিই,,
অহংকার করি,,
দুনিয়াকেই স্থায়ী ভেবে বসে থাকি।।
আজ যার জানাজা পড়ছি,,,
কাল হয়তো মানুষ আমাদের জানাজার জন্য দাঁড়াবে।
এই দেহের শেষ পরিণতি যদি এমনই হয়,
তাহলে সত্যিকারের সৌন্দর্য তো শরীরে নয়…...
সত্যিকারের সৌন্দর্য ঈমান, আমল আর রবের কাছে গ্রহণযোগ্যতায়।।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে আখিরাতের জন্য প্রস্তুত হওয়ার তাওফিক দিন।।
যাওয়ার আগে যেন অন্তত এতটুকু বলতে পারি:
“হে আল্লাহ, আমরা ফিরে এসেছি আপনার কাছেই…....”

ডা.আব্দুর রহমান

মানবদেহ আসলেই এক বিস্ময়…...কখনো কখনো চিকিৎসাবিজ্ঞানকে অলৌকিক বলেও মনে হয়।।এক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় যুবকের আঙুলগুলো এতটাই পিষ্ট...
14/05/2026

মানবদেহ আসলেই এক বিস্ময়…...
কখনো কখনো চিকিৎসাবিজ্ঞানকে অলৌকিক বলেও মনে হয়।।
এক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় যুবকের আঙুলগুলো এতটাই পিষ্ট হয়েছিল যে, অনেকেই ভেবেছিলেন হয়তো আর বাঁচানো সম্ভব না। কেটে ফেলাই হবে শেষ সিদ্ধান্ত।
কিন্তু চিকিৎসকরা হাল ছাড়েননি।,
তারা বেছে নিলেন এক অবিশ্বাস্য পদ্ধতি।
ক্ষতিগ্রস্ত আঙুলগুলোকে সাময়িকভাবে তার পেটের ভেতরে বিশেষভাবে তৈরি করা “পকেট”-এর মধ্যে স্থাপন করা হয়। প্রায় এক মাস ধরে পেটের টিস্যু থেকে রক্ত, অক্সিজেন ও পুষ্টি পেতে থাকে সেই মৃতপ্রায় আঙুলগুলো।।
ধীরে ধীরে আবার জীবন্ত হয়ে ওঠে টিস্যু।
ফিরে আসে রক্ত চলাচল।
আশা ফিরে পায় একটি হাত….....
একটি জীবন…..।
শেষ পর্যন্ত যুবক তার হাত প্রায় স্বাভাবিকভাবেই ফিরে পান।
ভাবতেই অবাক লাগে,,
আল্লাহ মানুষের শরীরকে কী অসাধারণ পুনর্গঠনের ক্ষমতা দিয়ে সৃষ্টি করেছেন!
আর সেই রহস্যকে কাজে লাগিয়ে চিকিৎসাবিজ্ঞান প্রতিনিয়ত অসম্ভবকে সম্ভব করে যাচ্ছে।
স্যালুট সেই চিকিৎসকদের মেধা, ধৈর্য আর মানবতার প্রতি।।

ডা.আব্দুর রহমান ゚

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালকসহ পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় শুরু থেকেই সন্দেহের তীর ছিল স্বামী ফোরকান...
14/05/2026

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালকসহ পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় শুরু থেকেই সন্দেহের তীর ছিল স্বামী ফোরকান মিয়ার দিকে।,,
চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে ক্ষোভ, ঘৃণা আর ভয়। অনেকেই ধরে নেন, এমন নির্মম ঘটনার পেছনে তিনিই দায়ী।
কিন্তু হঠাৎ করেই নতুন মোড় নেয় ঘটনা।
পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করা হয় ফোরকান মিয়ার মরদেহ।।
একই ঘটনায় যাকে ঘিরে সব অভিযোগ, সব সন্দেহ—তারই মৃত্যু এখন পুরো ঘটনাকে আরও জটিল করে তুলেছে।....
এখন প্রশ্নটা আরও বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি কি সত্যিই পাঁচজনকে হত্যার পর আত্মহত্যা করেছেন??
নাকি এর পেছনে আছে আরও কোনো অজানা অধ্যায়, যা এখনো সামনে আসেনি??

এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় একটাই
নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্ত।...
পাঁচটা প্রাণ হারিয়েছে, আর এখন আরও একটি মৃত্যু যোগ হয়েছে সেই একই গল্পে।।
সত্যটা না জানা পর্যন্ত সবকিছুই শুধু অনুমানই থেকে যাবে।।

ডা.আব্দুর রহমান

゚ ゚

পৃথিবীর সবচেয়ে অসহায় দৃশ্য হয়তো তখনই দেখা যায়,যখন কোনো মা নিজের সন্তানের ছোট্ট নিথর মুখটা বুকে জড়িয়ে কাঁদতে কাঁদতে বলে—“...
10/05/2026

পৃথিবীর সবচেয়ে অসহায় দৃশ্য হয়তো তখনই দেখা যায়,যখন কোনো মা নিজের সন্তানের ছোট্ট নিথর মুখটা বুকে জড়িয়ে কাঁদতে কাঁদতে বলে—
“আমার বাচ্চাটাকে ফিরিয়ে দাও…...”

মহামারী হামে আক্রান্ত হয়ে একদিনেই ঝরে গেল ১২টি নিষ্পাপ শিশু প্রাণ। তাদের মধ্যেই ছিল জমজ দুই ফুলের মতো শিশু। একই মায়ের কোল আলো করে পৃথিবীতে এসেছিল তারা, অথচ একই দিনে দু’জনকেই বিদায় দিতে হলো চিরদিনের জন্য।....

যে ঘরে একটু আগেও শিশুদের হাসি, কান্না আর দুষ্টুমিতে মুখর ছিল পরিবেশ, আজ সেখানে শুধু নীরবতা। বিছানার পাশে পড়ে আছে ছোট্ট জামা, খেলনা আর অর্ধেক খাওয়া দুধের বোতল। মা বারবার সেই জামাগুলো বুকে জড়িয়ে অঝোরে কাঁদছেন…...

বাবা চোখের জল লুকাতে চাইলেও সন্তানের ছোট কবরের পাশে দাঁড়িয়ে ভেঙে পড়ছেন বারবার।কোনো ভাষা নেই এই শোক বোঝানোর।কারণ সন্তান হারানোর ব্যথা পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী ব্যথাগুলোর একটি।যে সন্তানকে ঘিরে হাজার স্বপ্ন ছিল, সেই সন্তানই আজ সাদা কাপড়ে মোড়ানো স্মৃতি।.....

হে আল্লাহ, নিষ্পাপ শিশুদের জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন।শোকাহত বাবা-মায়েদের ধৈর্য ধরার শক্তি দিন।এমন বুকফাটা কান্না যেন আর কোনো পরিবারকে সহ্য করতে না হয়।....
আমিন.



#হাম ゚
#শিশুমৃত্যু
িশু
#মায়ের_আহাজারি
#বাবার_কান্না
#নিষ্পাপ_প্রাণ
#দোয়া_করুন
#মানবতা

Address

Satkhira

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mr.&Mrs. Gazi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share