Farheen Boutique & Mega Store

Farheen Boutique & Mega Store Here you can get anything for beauty of yours' & yours' sweet home's...

You can get handmade & ready-made sharee, three price, saloware-kamiz, tops, skart, shirt, leggings, ties, cardigan, Sleeve T-shirt, Embroidered Dresses, Under garments, Nakshi Katha, Bed sheet, Bed cover, Cushion, Cushion cover, Pa-posh and baby items' etc etc.

30/12/2017

* Ice Cream Parlor
* Coffee & Pastry Shop

If u can get Bellissimo ice-cream @ Farheen Ice Cafe`.What ur opinion?
28/05/2015

If u can get Bellissimo ice-cream @ Farheen Ice Cafe`.
What ur opinion?

আইস্ক্রীম নিয়ে চিন্তা ভাবনা চলছে...কেমন হবে বলুন তো, যদি একদিন দেখেন এই পেইজ টাই আইস্ক্রীম ময় হয়ে যায়।আমার পক্ষ থেকে চমক...
20/05/2015

আইস্ক্রীম নিয়ে চিন্তা ভাবনা চলছে...
কেমন হবে বলুন তো, যদি একদিন দেখেন এই পেইজ টাই আইস্ক্রীম ময় হয়ে যায়।

আমার পক্ষ থেকে চমক রইল আইস্ক্রীম পাগলাদের জন্য...
আল্লাহ্‌ যদি চান তো.... Coming soon.

Three piece tops.Size : Free/ As customer need.Price : BDT 1750+Delivery Charge (Inside Dhaka=50, outside Dhaka=100)
29/03/2015

Three piece tops.

Size : Free/ As customer need.
Price : BDT 1750+Delivery Charge (Inside Dhaka=50, outside Dhaka=100)

One piece tops.Color : Heaven Blue, Red, Green, Pink, Yellow.Size : Free/ As customer need.Price : BDT 1450+Delivery Cha...
31/01/2015

One piece tops.
Color : Heaven Blue, Red, Green, Pink, Yellow.
Size : Free/ As customer need.
Price : BDT 1450+Delivery Charge (Inside Dhaka=50, outside Dhaka=100)

নাক-ডাকার সমস্যা কিভাবে দূর করবেন???চিকিত্সকেরা বলছেন, নাক ডাকা অন্য অনেক স্বাস্থ্যসমস্যার পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপ এমনকি স...
17/01/2015

নাক-ডাকার সমস্যা কিভাবে দূর করবেন???

চিকিত্সকেরা বলছেন, নাক ডাকা অন্য অনেক স্বাস্থ্যসমস্যার পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপ এমনকি স্ট্রোকের ঝুঁকির উপসর্গও হতে পারে। সুতরাং এই সমস্যাকে খুব সহজ ভাবে নেবার কারণ নেই। বরং পরিত্রাণের পথ খোঁজ করা উচিৎ। নাক ডাকার সমস্যা এড়াতে মেনে চলুন কয়েকটি টিপস।

অ্যালকোহল পান থেকে বিরত থাকুন:

বেশি পরিমাণে অ্যালকোহল বা মদ-জাতীয় পানীয় পানের কারণে কারও নাক ডাকার সমস্যা হতে পারে। অ্যালকোহল জিভের পেশিগুলোকে শিথিল করে দেওয়ার কারণে শ্বাস-প্রশ্বাসের নালি সংকুচিত হয়ে পড়ে আর এ থেকে নাক ডাকা শুরু হয়। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অ্যালকোহল পান থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে এই সমস্যা দূর করার চেষ্টা চালানো যেতে পারে।

ধূমপান ছাড়ুন:

ধূমপানের কারণে এমনিতেই শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত কিছু জটিলতা তৈরি হয়। আবার ধূমপান থেকে টারবাইনেটস নামে নাকের বিশেষ এক ধরনের টিস্যু স্ফীত হয়ে যেতে পারে এবং এ থেকেও শ্বাস-প্রশ্বাসের জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। ধূমপানের এই দুই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণেই নাক ডাকার সমস্যা হতে পারে।

মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন:

অতিরিক্ত পরিমাণে মসলাযুক্ত খাবার খেলে পাকস্থলীতে বেশি মাত্রায় অ্যাসিডের প্রতিক্রিয়া শুরু হতে পারে। অনেক গবেষণা থেকেই দেখা গেছে, এ জাতীয় সমস্যার সঙ্গে নাক ডাকার সম্পর্ক আছে। যদি কিছুতেই নাক ডাকার কারণ খুঁজে বের করতে না পারেন, তাহলে খাবারদাবারে মসলার পরিমাণ কমিয়ে বিষয়টা পরীক্ষা করে দেখতে ক্ষতি কি।

অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে ফেলুন:

অতিরিক্ত ওজন নাক ডাকার সবচেয়ে সাধারণ কারণগুলোর একটা। আপনার ওজন যত বেশি হবে, নাক ডাকার আশঙ্কাও তত বেশি বাড়তে থাকবে। আর অতিরিক্ত মুটিয়ে মানুষের নাক ডাকার শব্দও কিন্তু বেশি। সুতরাং ওজন কমানোর চেষ্টা করুন।

বিছানা পরিষ্কার রাখুন:

বিছানাপত্রে বেশি ধুলাবালি থাকলে, ঘর বেশি ময়লা হলে শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা হয়। এ পরিস্থিতিতে নাকের নালিতে ধুলা-ময়লা সংক্রমিত হয়ে নাকের পেশি ফুলে উঠতে পারে এবং নাক ডাকা শুরু হতে পারে। তাই বিছানাপত্র ও ঘরদোর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখাটা খুবই জরুরি।

গাজর-আপেলের জুস পান করুন:

গাজর – আপেলের জুস পান করার ফলে নাক ডাকা থেকে মুক্তি মিলতে পারে। কারণ এই জুস শ্বাসনালীর মিউকাস দ্রুত নিঃসরণের ক্ষমতা বাড়ায়।

২ টি আপেল ছোটো ছোটো খণ্ডে কেটে নিন এবং ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন। এবার ২ টি গাজর কেটে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর একটি লেবুর ১/৪ অংশ কেটে রস চিপে এতে দিয়ে দিন এবং ১ চা চামচ আদা কুচি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। কিছুটা পানি দিয়ে বেশ ভালো করে ব্লেন্ড করে নিয়ে ছেঁকে নিন। এই পানীয়টি প্রতিদিন পান করুন।
হলুদের চা পান করুন

নাক ডাকা সমস্যার সমাধানে হলুদের চা:

২ কাপ পরিমাণ পানি চুলায় বসিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন। এতে ১ চা চামচ পরিমাণ কাঁচা হলুদ বাটা দিয়ে দিন (গুঁড়ো হলেও চলবে)। এবার আবার জ্বাল করতে থাকুন। যখন পানি ফুটে ১ কাপ পরিমাণে চলে আসবে তখন তা নামিয়ে ছেঁকে ফেলুন। এবার ১/২ চা চামচ মধু ও ২/৩ ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন।
প্রতিদিন ঘুমুতে যাওয়ার ৩০ মিনিট আগে পান করে নেবেন। দেখবেন নাক ডাকার সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

আপনি নাক দিয়ে শব্দটা করছেন, নাকি গলা দিয়ে—সেটা আগে নিশ্চিত হওয়া জরুরি। অনেকের ক্ষেত্রে আবার দুটাই একসঙ্গে হতে পারে। সঠিক করণীয় জানতে নাক-কান-গলারোগ বিশেষজ্ঞ দেখিয়ে পরামর্শ নিন

স্বাস্থ্য রক্ষায় রসুন !১. একটি মাঝারি সাইজের রসুনে ১ লাখ ইউনিট পেনিসিলিনের সমান অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যক্ষমতা রয়েছে।২...
15/01/2015

স্বাস্থ্য রক্ষায় রসুন !

১. একটি মাঝারি সাইজের রসুনে ১ লাখ ইউনিট পেনিসিলিনের সমান অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যক্ষমতা রয়েছে।

২. ব্যাকটেরিয়া ও প্রোটোজোয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি অ্যামিবিক ডিসেনট্রি নির্মূলের ক্ষেত্রে রসুন বেশ কার্যকরী।

৩. শরীরের রোগ সংক্রমণ দূর করার জন্য একসাথে তিন কোয়া রসুন দিনে তিন থেকে চারবার চিবিয়ে খান।

৪. রক্তের চাপ ও রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর জন্য প্রতিদিন তিন থেকে ১০ কোয়া রসুন খেতে পারেন।

৫. উচ্চরক্তচাপ ও রক্তের কোলেস্টরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগ প্রতিরোধে রসুনের ভূমিকা অপরিসীম। রসুন রক্ত জমাট নিরোধী অ্যাসপিরিনের মতোই শক্তিশালী।

৬. রসুন খেতে হলে কাঁচা রসুন চিবিয়ে খেতে হবে। চিবিয়ে না খেলে রসুনের রাসায়নিক উপাদান এলিসিন নির্গত হবে না। এলিসিনই হচ্ছে শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক। অ্যান্টিবায়োটিক ক্ষমতা কাজে লাগানোর জন্য কাঁচা রসুন চিবিয়ে খাওয়াই উত্তম।

৭. যাদের শরীর থেকে রক্তপাত সহজে বন্ধ হয় না, অতিরিক্ত রসুন খাওয়া তাদের জন্য বিপজ্জনক। রসুন রক্তের জমাট বাঁধার ক্রিয়াকে বাধা প্রদান করে। ফলে রক্তপাত বন্ধ হতে অসুবিধা হতে পারে।

৮. অতিরিক্ত রসুন শরীরে এলার্জি ঘটাতে পারে। এসব ক্ষেত্রে অতিরিক্ত রসুন না খাওয়াই উত্তম।

৯. রসুন খাওয়ার ফলে পাকস্থলীতে অস্বস্তি বোধ করলে রসুন খাওয়া বন্ধ রাখুন।

১০. শিশুকে দুগ্ধদানকারী মায়েদের রসুন না খাওয়াই ভালো। কারণ রসুন খাওয়ার ফলে তা মায়ের দুধের মাধ্যমে শিশুর পাকস্থলীতে ঢুকে শিশুর যন্ত্রণার কারণ ঘটাতে পারে।

গর্ভবতী মায়ের কিছু জরুরী পরামর্শগর্ভধারণ সব মেয়েদের কাছেই অতি কাংখিত একটি বিষয়। একজন মহিলা প্রথম বারের জন্য যখন গর্ভধারন...
03/12/2014

গর্ভবতী মায়ের কিছু জরুরী পরামর্শ

গর্ভধারণ সব মেয়েদের কাছেই অতি কাংখিত একটি বিষয়। একজন মহিলা প্রথম বারের জন্য যখন গর্ভধারন করে তার কাছে অনেক কিছুই থাকে অজানা, এই সামান্য অজানা তথ্যের জন্য অনেক সময় নানা ধরনের কুসংস্কার মায়ের উপর চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হয়। এজন্য গর্ভধারনের পরপরই উচিত একজন স্ত্রীরোগ চিকিৎসকের স্মরনাপন্ন হওয়া। এতে যে শুধু হবু মা-ই সুস্থ্য থাকবে তা না, গর্ভের শিশুটির নিরাপত্তাও এর সাথে জড়িত। সাধারনভাবে এ সময়টায় মা যদি অল্প কিছু নির্দেশ মেনে চলে, তাহলেই গর্ভ নিরাপত্তা অনেকখানি নিশ্চিত করা যায়।

আসুন সেরকমই কিছু বিষয় জেনে নিই।

১. খাদ্যঃ
মাকে এ সময় পুষ্টিকর, সহজপাচ্য ও অধিক আমিষ বা প্রোটিনযুক্ত খাবার খেতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে খাদ্য তালিকায় শাক-সব্জি এমন পরিমানে যেনো রাখা হয় যাতে ভিটামিন এর অভাব না হয়। একজন ৫০ কেজি ওজনের মায়ের জন্য আদর্শ খাবারে নুন্যতম ২৫০০ কিলোক্যালরি শক্তির যোগান থাকতে হবে।

২. বিশ্রাম ও ঘুমঃ
একজন গর্ভবতী মাকে একটি সুস্থ্য সন্তান জন্ম দেবার জন্য কিছুটা বাড়তি বিশ্রাম ও ঘুমানোর প্রয়োজন রয়েছে। দিনে ২ ঘন্টা ঘুম সহ দৈনিক নুন্যতম ১০ ঘন্টা ঘুমানো মায়ের জন্য অত্যাবশ্যকীয়।

৩. কোষ্ঠঃ
লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন মা এর যেনো কোষ্ঠ্যকাঠিন্য দেখা না দেয়, এতে গর্ভের সন্তান্টির উপর চাপ পড়তে পারে, এজন্য নিয়মিত মলাশয় খালি করতে হবে। বেশী বেশী শাক-সবজি খেলে এ সমস্যার হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

৪. স্তনঃ
এসময় স্তন সামান্য বড় হতে পারে, স্তনের বোটায় ও কিছু পরিবর্তন আসে, স্তন সামান্য টনটন করাটাও স্বাভাবিক। এসব কারন মাথায় রেখে স্তনের বিশেষ যত্ন নিতে হবে।

৫. যৌন মিলনঃ
গর্ভের প্রথম তিন মাসে যৌন মিলন না করাই উত্তম। গর্ভের শেষ ৬ সপ্তাহ ও যৌন মিলন থেকে বিরত থাকতে হবে। তবে এ নিয়ে কোনো সমস্যা দেখা দিলে আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বিশেষ ভাবে মিলন করা যেতে পারে।

৬. ভ্রমনঃ
সম্ভব হলে গর্ভের প্রথম তিন মাস যে কোনো ধরনের লম্বা ভ্রমন এড়িয়ে চলা উচিত।

৭. টিকা:
গর্ভের শুরুতেই টিটেনাস এর টিকা নিয়ে নিতে হবে। এই টিকা নেয়ার কারনে সন্তানের কোনো ক্ষতি হবার সম্ভাবনা নেই বরং না নিলে প্রসবের সময় ঝুকির সম্ভাবনা থেকে যায়।

৮. ধূমপান:
গর্ভাবস্থায় কোনো অবস্থাতেই মায়ের ধুমপান করা চলবেনা, এমন অভ্যাস থেকে থাকলে সন্তানের ভালোর জন্য ঐ মুহুর্তে তা ত্যাগ করতেই হবে। গর্ভবতী মায়ের সামনে অন্যকেউ ধুমপান করলে তাও শিশুটির ক্ষতির কারন হয়ে দাড়াতে পারে। যেসব মায়ের মদ্যপানের অভ্যাস আছে তাদের এসময়ে এ অভ্যাসটি থেকেও দূরে থাকতে হবে। গর্ভাবস্থায় নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন শিশুর স্থায়ী ক্ষতির কারন হতে পারে।

৯. গোসল ও পোশাকঃ
দৈনিক গোসল করার অভ্যাস করতে হবে। ঢিলে ঢালা আরাম দায়ক পোশাক পরিধান করার জন্য সব চিকিৎসকই মা’দের উপদেশ দিয়ে থাকেন।

১০. বিবিধ :
পায়ে পানি আসা, উচ্চ রক্তচাপ, প্রসাব কমে যাওয়া, পেটের উপর দিকে ব্যথা , মাথা ঘুরানো বা মাথা ব্যথা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই সাথে সাথে আপনার চিকিৎসক কে জানাবেন।

Address

Proshanti Niketon, Amin Model Town, East Dandabor, Kaborsthan Road
Savar

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Farheen Boutique & Mega Store posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share