18/08/2024
সামসুল হক খান স্কুলে বর্তমানে কর্মরত একজন টিচারের স্ট্যাটাস.....
"" প্রিয় সন্তানতুল্য Gen Z ছাত্রছাত্রীরা, বাধ্যতামূলক কোচিং তো বন্ধ করলে। এবার আমাদের ন্যায্য বেতন ভাতা আদায় করে দিতে পারবে তো?
অনার্স মাস্টার্স করে জয়েনিং এ বেতন পাই মাত্র ৮ হাজার। ১২ বছরে আমার বেতন বেড়ে এখন ১৮ হাজার। অথচ ভালো স্কুলে সরকারি নিয়মে জয়েনিং এ মিনিমাম ২২ হাজার পাওয়া যায় আর ১২ বছর চাকরি করলে তা ৫০ হাজার হয়ে যায়। আমাদের ন্যায্য বেতন ভাতা আদায়ে কতটুকু আন্দোলন করবে?
স্কুলে বর্তমানে টিচার স্টাফ মিলিয়ে প্রায় ৩০০ জন। এভারেজে ১৫ হাজার করে বেতন ধরলে খরচ হয় ৩০০×১৫,০০০= ৪৫ লাখ। সব মিলিয়ে মোট ব্যয় সর্বোচ্চ ৫০ লাখ।
অথচ ১৫ হাজার স্টুডেন্টের কাছ থেকে মাসে এভারেজে ১৩০০ টাকা বেতন নিলে স্কুলে আয় ১৫,০০০×১৩০০=২ কোটি। আমরা টিচার স্টাফ সবাই মিলে পাই ৫০ লাখ। বাকী ১.৫ কোটি কোথায় যায় তা জানতে চেয়েছো?
বছরে ৩ সেমিস্টার পরীক্ষায় আয় ৩×২ কোটি=৬ কোটি। আমাদের খাতা দেখার সম্মানী + কাগজ খরচ ৫০ লাখ। বাকী ৫ কোটি ৫০ লাখ কোথায় যায় তা জানতে চেয়েছো?
বাধ্যতামূলক কোচিং ছিল বাংলা ভার্সনে ৫ম থেকে ১০ম শ্রেনীতে, ইংলিশ ভার্সনে ৩য় থেকে ১০ম শ্রেনীতে, কলেজে ফার্স্ট ও সেকেন্ড ইয়ারে। ১১ হাজার স্টুডেন্টের কাছ কোচিং বাবদ আয় ৩ কোটি। ৩ কোটির ১/৩ অংশ ১ কোটি ঢুকতো কোন একজনের পকেটে তা জানতে চেয়েছো?
বাধ্যতামূলক ক্লাব থেকে বছরে আয় ১৫,০০০×৫০০০= ৭.৫ কোটি যার প্রায় ৪ কোটি কোন একজনের পকেটে ঢুকতো তা জানতে চেয়েছো?
পুন:ভর্তি ও নতুন ভর্তিতে প্রতি জানুয়ারিতে আয় ১৫,০০০×১০,০০০ = ১৫ কোটি যার প্রায় পুরোটাই কার পকেটে ঢুকতো তা জানতে চেয়েছো?
এছাড়াও সারা বছর ধরে রেজিস্ট্রেশন পিকনিক অনুষ্ঠান বইবিক্রি এটাসেটার নামে তোলা ২ কোটি টাকা কোথায় যায় তা জানতে চেয়েছো?
অনেক তো করলে। এবার পারলে এগুলোর উত্তর এনে দিও।
কোন একজন শিক্ষকের কথা !
Collected