সত্যের সাথী

সত্যের সাথী Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from সত্যের সাথী, Kitchen/Cooking, Limehouse Station, SC.

04/12/2026
04/08/2026

হাসনাত দেখি ভালোই পোংটা। মুচকি হেসে তারেক রহমানকে ঠাণ্ডা মাথায় খোঁচা মারলো।

আজকে সংবাদ সম্মেলনে বলছে, 'মানুষ বলে, নামমাত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আর কার্যকরী প্রধানমন্ত্রী সালাহউদ্দিন। আমরা বলতে চাই না, বলা উচিত নয়। এগুলো শুনতে বাজে শোনায়, এগুলো আপনারাও বলবেন না। একই পার্লামেন্টে বসিতো, এভাবে শুনতে খারাপ লাগে।'

মানে সিস্টেমে তারেক রহমানকে বলল, আপনি আসলে কিছুই না। ঠিক একই ভাবে নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী বলছিলো, 'তারেক রহমানকে আপনারা কি মনে করেন? অনেককিছুই? সে আসলে কাগুজে বাঘ। ফু দিলেই ঠুসসস।'

হাসনাতের সিস্টেমিক কথা শুনে পুরোনো একটা কথা মনে পরলো।

২০১০ সালের এক সংসদ অধিবেশন। স্পিকারের দায়িত্বে ছিলেন আব্দুল হামিদ।

বিরোধীদলীয় নেতা সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরী স্পিকারের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করেন,

“মাননীয় স্পিকার, এই সংসদে উপস্থিত সাংসদদের মধ্য থেকে কাউকে কি ‘চোর’ বলা যাবে?”

জবাবে স্পিকার আব্দুল হামিদ সংক্ষিপ্তভাবে বলেন,
“না, যাবে না।”

তখন সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরী হালকা রসিকতার সুরে বলেন, "তাহলে আমি আর শেখ সেলিম-কে ‘চোর’ বললাম না!”

মানে কি আর বলব হা হা হা, সাকা চৌধুরী শেখ সেলিমকে চোর কিন্তু ঠিকই বলছে। ঠিক একই ভাবে হাসনাতও বলল, 'তারেক রহমান নামমাত্র প্রধানমন্ত্রী, কার্যকর প্রধানমন্ত্রী তো সালাউদ্দিন আহমেদ। কিন্তু আমরা বলতে চাইনা। বলা উচিতও না।'

লেখায় - Md Rubel Hasan

04/08/2026

সাংসদ হাসনাত আব্দুল্লাহ থেকে তিনটি ইংরেজি শিখলাম।
সে বলছিল,,, কখনো কনফর্মিস্ট, কখনো রিফর্মিস্ট, তারা আসলে অপারচুনিস্ট।"

Conformist (কনফর্মিস্ট) – যারা প্রচলিত নিয়ম, মত বা সমাজের ধারা অনুযায়ী চলে; ভিন্নভাবে ভাবতে চায় না।

Reformist (রিফর্মিস্ট) – যারা পরিবর্তন বা সংস্কারের পক্ষে; বিদ্যমান ব্যবস্থাকে উন্নত করতে চায়।

Opportunist (অপারচুনিস্ট) – সুযোগসন্ধানী; নিজের স্বার্থের জন্য সময় ও পরিস্থিতি অনুযায়ী অবস্থান বদলায়।

* সংসদ অধিবেশন শুনলে এভাবে অনেক কিছু সঞ্চয় করা যায়। আপনিও কি শুনেছিলেন এই বক্তব্য?

04/08/2026

২৮ জন বিচারককে শোকজ করা হয়েছে, কারণ তারা নিজেদের অভ্যন্তরীণ গ্রুপে কিছু মতামত লিখেছিলেন।

এই জায়গাটাই সবচেয়ে চিন্তার। বিচারকদের নিজেদের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনা করার জায়গাটাও যদি নিরাপদ না থাকে, তাহলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আসলে কোথায় দাঁড়িয়ে আছে?

স্ক্রিনশট নিয়ে বিচারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, এটা স্পষ্টভাবে একটা ভয় দেখানোর চেষ্টা। বার্তাটা খুব পরিষ্কার: “চুপ থাকুন, না হলে সমস্যায় পড়বেন।”

৫ আগস্টের পর একটা সময় মনে হয়েছিল, বিচারকরা অন্তত কিছুটা সাহস নিয়ে ভাবতে, লিখতে পারছেন এবং ভবিষ্যতেও লিখবেন। এখন যা হচ্ছে, তাতে সেই পরিবেশটা আবার ধীরে ধীরে ভয়ের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে। বিচার বিভাগে যদি এই ধরণের চাপ থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার জায়গাটাও দুর্বল হয়ে যায়।

এটা কোনো ব্যক্তির বিষয় না, এটা একটা সিস্টেমের বিষয়। বিচারকদের কণ্ঠ যদি এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়, তাহলে শেষ পর্যন্ত এর ক্ষতিপূরণ পুরো দেশকেই দিতে হবে। এই সিদ্ধান্তটা অন্তত পুনর্বিবেচনা করা দরকার।

বিচার বিভাগকে ভয় দেখিয়ে শক্তিশালী করা যায় না, বরং দুর্বল করে ফেলা হয়।

04/06/2026

গ্রেফতারের ভয়ে এইভাবে অ/জ্ঞাত স্থান থেকে ভিডিও বার্তা দিয়ে ২০১৫ সালে সপ্তাহখানেক আ/ন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করেই লাপাত্তা হয়ে যান সালাহউদ্দিন আহমদ।

এরপর থেকেই তিনি অজ্ঞাত হয়ে যান। দাবী করেন তাকে নাকি গু/ম করা হইছে। যদিও সাংবিধানিকভাবে নির্বাচিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাসিনা বলেছে- সালাহউদ্দিন ট্রাভেল পাস নিয়ে ভারতে গিয়ে গুম নাটক সাজিয়েছে।

২০১৫ সালে সালাহউদ্দিন সাহেবকে সপ্তাহ খানেক দেখিছি ভিডিও বার্তায়। এরপর উনি আবার আবির্ভূত হোন জুলাইয়ের পরে দেশে ফিরে এস আলমের গাড়িতে করে সংবর্ধনা নিয়ে।
এর বাইরে বিগত ১৫/১৬ বছর রাজনীতিতে ওনার কোন অবদান নাই। কয়েকদিন গু/ম থাকলেও পরবর্তীতে পরিবারসহ আলিশান বাংলো বাড়িতে ছিলেন ভারতে।

এই সালাহউদ্দিন এখন আমাদের সংবিধান শিখান!! তাকে নাকি সম্মান দিয়া আমরা কথা বলি না। সে কথায় কথায় জুলাই নিয়ে মকারি করে। আমরা তাকে কেন সম্মান করবো??
আর সালাহউদ্দিন যে গু/ম ছিলো তার প্রমান কী??

সাংবিধানিকভাবে নির্বাচিত একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কথাতো অবিশ্বাস করতে পারি না।

04/06/2026

বিএনপি বড় বড় সংস্কারগুলো করবে না, এটা জানাই ছিল।

কিন্তু গুম অধ্যাদেশটাও বাতিল কইরা দেবে, এইটা আমি স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি।

জুলাই এর পর, একটা মহাপরাক্রমশালী পার্টির এমন পতনের পর আমাদের আবার গুম নিয়ে কথা বলতে হবে, "গুম করা খারাপ" বোঝাতে হবে, ভাবিনি।

মনে পড়ে, ৫ আগস্টের পর একের পর এক আয়নাঘরের বন্দিরা বের হয়ে আসতেসিল।

লজ্জা, ঘৃণা, ক্ষোভ আর দু:খ নিয়ে লোকগুলোর দিকে তাকাইয়া থাকতাম আর ভাবতাম, এই মানুষগুলো তাদের জীবন দিয়ে আয়নাঘর বন্ধ করে গেল।

এখন দেখা যাচ্ছে, আমার ভাবনা ভুল ছিল।

দেখেন, আমাকে বা আপনাকে তুলে নিয়ে যেয়ে কোন কারণ ছাড়াই রাষ্ট্র ৯০ দিন পর্যন্ত আটক রাখতে পারে।

রাষ্ট্রের হাতে এই পরিমাণ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

মানে আমার বাপ মাকে জানাতে হবে ,থানা থেকে স্বীকার করতে হবে, জাস্ট এই ফর্মালিটিটুকু করলেই কিন্তু আমাকে ৯০ দিন আটকে রাখা যাবে।

কিন্তু এরা এই ফর্মালিটিও করতে রাজি না।

এরা চায় আমাকে তুইলা নেবে।

কিন্তু আমার মা বাপ কিচ্ছু জানবে না।

থানা, পুলিশ স্বীকার করবে না।

ওদের কথা শুনলে আমি ব্যাক আসব। না শুনলে আমাকে নাই করে দেওয়া হবে।

যেমন নাই করে দেওয়া হয়েছিল ইলিয়াস আলীকে।

ইলিয়াস আলীকে একেবারে প্রথম দিনেই হত্যা করে শীতলক্ষ্যায় ডুবায় দেওয়া হয়।

অথচ হাসিনা এর ৫ বছর পরেও ইলিয়াস আলীর মেয়ের মাথায় হাত রেখে নাটক করেছে।

এই নাটক আবার আমাদের দেখা লাগবে?

ইলিয়াস আলীকে আটকের পর যদি থানা পুলিশকে জাস্ট "স্বীকার" করতে হত যে তারা ইলিয়াস আলীকে আটক করেছে,

তাইলে ইলিয়াস আলীকে আর মরতে হত না।

হয়তো ১৭ বছর জেলে থাকতে হত, রিমান্ডে নিয়ে হাত পা ভেঙে দিতে পারত, জেলে নিয়ে ফাঁসি বা যাবজ্জীবনের রায় দিতে পারত।

জাস্ট উনার মেয়েটাকে কোনদিন বাবার জন্য অপেক্ষা করতে হত না। বাবার লাশ বা কবর মেয়েটা দেখতে পারত।

জুলুম তো রাষ্ট্র আমাদের উপর করতেই পারে।

আমাদের ধরে নিয়ে জেল দিতে পারে, জামিন না দিতে পারে, ফাঁসিও দিতে পারে।

কিন্তু লাশটাও লুকাইয়া ফেলার জুলুমটা কেন করতে হবে?

কেন জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে একজন মানুষকে তুলে আনলেও কেউ কিছু স্বীকার করবে না?

আমাদের উপর জুলুম করলেই কি যথেষ্ট হবে না? কেন আমাদের ফ্যামিলিকেও একবার থানায় আর একবার মর্গে দৌড়াদৌড়ি করতে হবে?

খুব বেশি কিছু আমরা চাইনি।

যখন লিখতাম বিএনপি সংস্কার করবে না, তখন এই আপনারাই আমাদের বলতেন, আমরা নাকি বিএনপির বিরোধিতা করার জন্য বিএনপিকে সংস্কার বিরোধী বলি।

এখন কী বলবেন?

গুম অধ্যাদেশ খুব আহামরি কোন অধ্যাদেশও না।

তুইলা নিয়ে যাইতেই পারে, সবকিছুই করতে পারে, ইউনূস সরকার জাস্ট আইন করছিল যে তুলে নিয়ে গেলেও অন্তত স্বীকার করতে হবে যে অমুক বাহিনী তুলে নিয়ে গেছে।

এতটুকুও করতে দিবেন না?

এত এত প্রাণ, এত এত রক্ত দেওয়ার পরেও একটা দেশের মানুষকে কে তুইলা নিয়া গেল, কেন তুইলা নিয়া গেল, সেটা জানার অধিকারও দিবেন না আপনারা,

আপনারা আর কত রক্ত চান আমাদের কাছে থেকে?

04/06/2026

২৯ নভেম্বর তারেক রহমান বলেছিলেন , ‘এমন সংকটকালে মায়ের স্নেহ–স্পর্শ পাবার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যেকোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সকলের মতো এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।"

তাঁর দেশে ফেরা আর কার কার সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে, তা তিনি তখন কিংবা এখনোও স্পষ্ট করেননি।

কিন্তু ২৫ ডিসেম্বর, যাদের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে তিনি দেশে ফিরেছেন—দলের অনেকের দ্বিমত থাকা সত্ত্বেও—গুম ও মানবাধিকার অধ্যাদেশ বাতিলের পেছনে তাদের সিদ্ধান্তের কোনো প্রভাব রয়েছে কি না, সে প্রশ্ন থেকেই যায়।

দেশে ফেরার মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত যেমন অন্য অনেকের প্রভাবের ওপর নির্ভর করেছে, ঠিক তেমনি দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রেও কি তিনি তাদের দ্বারা প্রভাবিত?

জনাব তারেক রহমান কি নিজের সিদ্ধান্তে দেশ পরিচালনা করতে পারছেন, নাকি নেপথ্যে অন্য কেউ রয়েছেন—যাদের আমরা চিনি না?

তাঁর নিজের সিদ্ধান্ত ছাড়াও যাঁদের সিদ্ধান্তের ওপর তাঁর দেশে ফেরা ও অধ্যাদেশ বাতিলের সিদ্ধান্ত নির্ভর করতে পারে, তাঁরা কারা?

Address

Limehouse Station, SC
TW14TM

Telephone

+447861204558

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সত্যের সাথী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your business to be the top-listed Interior Service in Limehouse Station?

Share