Gurukul Kalna গুরুকুল কালনা 713409

  • Home
  • India
  • Kalna
  • Gurukul Kalna গুরুকুল কালনা 713409

Gurukul Kalna গুরুকুল কালনা 713409 Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Gurukul Kalna গুরুকুল কালনা 713409, Arts & Crafts Store, Kalna.

01/07/2025

স্পোকেন ইংলিশ, সংস্কৃত, হিন্দি ও বিভিধ ভাষা শিক্ষার বিশেষ কোর্স আগামী কাল থেকে (২ জুলাই ২০২৫)

ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলা হল বিশ্বের সবচেয়ে বড় বইয়ের বাণিজ্য মেলা, প্রতিনিধিত্বকারী প্রকাশনা সংস্থার সংখ্যার উপর ভিত্তি করে...
04/02/2025

ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলা হল বিশ্বের সবচেয়ে বড় বইয়ের বাণিজ্য মেলা, প্রতিনিধিত্বকারী প্রকাশনা সংস্থার সংখ্যার উপর ভিত্তি করে। ♥️♥️♥️

অক্টোবরের মাঝামাঝি পাঁচ দিনের বার্ষিক অনুষ্ঠানটি জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট অ্যাম মেইনের ফ্রাঙ্কফুর্ট বাণিজ্য মেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম তিন দিন শুধুমাত্র পেশাদার দর্শকদের জন্য সীমাবদ্ধ; সাধারণ মানুষ সপ্তাহান্তে মেলায় উপস্থিত হন।

ফ্রাঙ্কফুট পুস্তকমেলা একটি আন্তর্জাতিক পুস্তক ও প্রকাশনাসংক্রান্ত বাণিজ্য মেলা তথা প্রদর্শনী যা প্রতি বৎসর জার্মানীর ফ্রাঙ্কফুর্ট শহরে অনুষ্ঠিত হয়। এটা মূলত প্রদর্শনী যেখানে ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে খুচরা বিকিকিনি হয় না, বরং লেখক, প্রকাশক এবং পুস্তক বিপণনকারীদের আন্তর্জাতিক সম্পর্কজালিকা তৈরীই এ পুস্তকমেলার প্রধান উদ্দেশ্য। ২০০৬ খৃস্টাব্দে শ্রাবণ প্রকাশনী-এর অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে এ মেলায় বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক অংশগ্রহণের সূচনা হয়।

২০০৬ সালে ফ্রাঙ্কফুট বইমেলায় ভারত দ্বিতীয় বারের জন্য অতিথি দেশ নির্বাচিত হয়। ভারতই প্রথম দেশ হিসেবে এই মেলায় দুইবার অতিথি দেশ নির্বাচিত হয়। এই মেলার উদ্বোধনী ভাষণে মহাশ্বেতা দেবী রাজ কাপুরের বিখ্যাত চিত্রগীতি "মেরা জুতা হ্যায় জাপানি" থেকে পঙ্‌ক্তি উদ্ধৃত করে একটি আবেগময় ভাষণ দেন:

"সত্যই এটি এমন এক যুগ যেখানে ‘জুতা’টি (জুতো) জাপানি, ‘পাতলুন’টি (প্যান্ট) ‘ইংলিশস্তানি’ (ব্রিটিশ), ‘টোপি’টি (টুপি) ‘রুসি’ (রাশিয়ান), কিন্তু ‘দিল’... ‘দিল’টি (হৃদয়) সর্বদা ‘হিন্দুস্তানি’ (ভারতীয়)... আমার দেশ, ক্ষয়প্রাপ্ত, ছিন্নভিন্ন, গর্বিত, সুন্দর, উষ্ণ, আর্দ্র, শীতল, ধূলিধূসরিত, উজ্জ্বল ভারত। আমার দেশ।"

✅✅ আন্তর্জাতিক কলকাতা পুস্তকমেলা (পূর্বনাম কলিকাতা পুস্তকমেলা) পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতায় আয়োজিত একটি বার্ষিক আন্তর্জাতিক বইমেলা। এই মেলাটি কলকাতা বইমেলা নামেই সমধিক পরিচিত। ১৯৭৬ সালে প্রবর্তিত এই বইমেলা ১৯৮৪ সালে আন্তর্জাতিক বইমেলার স্বীকৃতি অর্জন করে। বর্তমানে জানুয়ারি মাসের শেষ বুধবার বারোদিনব্যাপী এই বইমেলার উদ্বোধন হয়। মেলার বর্তমান আয়োজনস্থল বিধাননগরের সেন্ট্রাল পার্ক।

কলকাতা বইমেলা বিশ্বের বৃহত্তম অবাণিজ্যিক বইমেলা। ফ্রাঙ্কফুর্ট বা লন্ডন বইমেলার মতো কলকাতা বইমেলায় গ্রন্থপ্রকাশনা, পরিবেশনা ও অনুবাদ সংক্রান্ত চুক্তি বা ব্যবসাবাণিজ্য চলে না। বরং প্রকাশক ও পুস্তকবিক্রেতারা সাধারণ মানুষের কাছে তাদের প্রকাশিত অথবা পরিবেশিত বইয়ের প্রচার ও বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে এই মেলায় যোগ দিয়ে থাকেন। কলকাতার সাংস্কৃতিক ইতিহাসে এই মেলা একটি বিশিষ্ট স্থানের অধিকারী। বর্তমানে বইমেলাকে ‘বাঙালির চতুর্দশ পার্বণ’ বলে অভিহিত করা হয়।

কলকাতা বইমেলা আন্তর্জাতিক বইমেলা হলেও মেলার সিংহভাগ জুড়ে বাংলা বইয়ের বিক্রিই বেশি হয়। তবে প্রচুর ইংরেজি গ্রন্থ প্রকাশক ও বিক্রেতাও এই মেলায় অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া হিন্দি, উর্দু, সংস্কৃত ইত্যাদি অন্যান্য ভারতীয় ভাষার বইও এই মেলায় পাওয়া যায়। বিদেশি দূতাবাসগুলিও স্টল বা প্যাভিলিয়ন সাজিয়ে নিজ নিজ দেশে প্রকাশিত বইপত্রের প্রদর্শনী করে থাকে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও ভারত সরকারের বাংলা প্রকাশনা বিভাগগুলিও এই মেলায় অংশ নিয়ে থাকে। এছাড়াও ফ্রাঙ্কফুট বইমেলার আদলে প্রতি বছর মেলায় অংশগ্রহণকারী একটি বিদেশি রাষ্ট্র ‘ফোকাল থিম’ ও অপর একটি রাষ্ট্র ‘সম্মানিত অতিথি রাষ্ট্র’ নির্বাচিত হয়। ২০১০ সালের ৩৪তম আন্তর্জাতিক কলকাতা পুস্তকমেলার ফোকাল থিম ও সম্মানিত অতিথি রাষ্ট্র হল মেক্সিকো।

কলকাতা বইমেলায় বই ক্রয়বিক্রয়ের সঙ্গে সঙ্গে আয়োজিত হয় বিভিন্ন অণুষ্ঠান, সেমিনার, পদযাত্রা, প্রতিযোগিতা ও গ্রন্থ প্রকাশ অণুষ্ঠান। উল্লেখ্য, বইমেলার সময়ই প্রকাশকেরা তাদের নতুন বই প্রকাশ করে থাকেন। গ্রন্থসম্ভারের পাশাপাশি চিত্রশিল্পী, শিশু, তথ্যপ্রযুক্তি ও লিটল ম্যাগাজিনের জন্য বিশেষ চত্বর নির্ধারিত থাকে। কলকাতা বইমেলা বর্তমানে কলকাতার অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি মেলা। এই মেলার সাফল্যে উজ্জীবিত হয়ে পশ্চিমবঙ্গে ও পশ্চিমবঙ্গের বাইরেও ভারতের অন্যান্য স্থানে বাংলা বইয়ের মেলা চালু হয়েছে।

03/02/2025
03/02/2025
২০২৫ সালে পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত পশ্চিমবঙ্গের গর্বিত ব্যক্তিত্বগণ👇পদ্মশ্রী পুরস্কার ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ নাগরিক সম্ম...
29/01/2025

২০২৫ সালে পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত পশ্চিমবঙ্গের গর্বিত ব্যক্তিত্বগণ👇
পদ্মশ্রী পুরস্কার ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান, যা দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য প্রদান করা হয়। ২০২৫ সালে পশ্চিমবঙ্গের ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এই মর্যাদাপূর্ণ সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। তাঁদের অনন্য কৃতিত্ব ও অবদান বাংলার পাশাপাশি গোটা দেশের গর্ব বৃদ্ধি করেছে। নিচে এই গুণী ব্যক্তিদের সম্পর্কে বিশদে তুলে ধরা হলো:
১. **অরিজিৎ সিং (সঙ্গীতশিল্পী)**
বিশ্ববিখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী অরিজিৎ সিং ভারতীয় সঙ্গীত জগতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাঁর সুরেলা কণ্ঠ এবং আবেগঘন পরিবেশনা কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। বাংলা ও হিন্দি সিনেমার প্লেব্যাক থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক মঞ্চেও তিনি সঙ্গীত পরিবেশন করে দেশকে গর্বিত করেছেন।
২. **মমতা শঙ্কর (নৃত্যশিল্পী ও অভিনেত্রী)**
মমতা শঙ্কর একজন কিংবদন্তি নৃত্যশিল্পী ও প্রখ্যাত অভিনেত্রী। তিনি আধুনিক নৃত্যের জগতে এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব। মঞ্চ ও চলচ্চিত্রে তাঁর অভিনয়শৈলী এবং নৃত্যের প্রতিভা দর্শকদের হৃদয়ে চিরস্থায়ী ছাপ রেখে গেছে। তাঁর শিল্পসৃষ্টি বাংলার সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে।
৩. **তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার (সারোদ বাদক)**
তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের এক উজ্জ্বল প্রতিভা। তাঁর সারোদের মূর্ছনায় শ্রোতারা মোহিত হন। তিনি ভারতীয় সঙ্গীতকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
৪. **গোকুলচন্দ্র দাস (ঢাকি)**
৫৭ বছর বয়সী গোকুলচন্দ্র দাস ঢাকের জগতে এক অনন্য নাম। তিনি শুধু দক্ষ ঢাকি নন, ঢাক বাজানোর ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে মহিলাদের এই ক্ষেত্রে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করে এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাঁর এই উদ্যোগ বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।
৫. **স্বামী প্রদীপ্তানন্দ (কার্তিক মহারাজ, আধ্যাত্মিক গুরু)**
স্বামী প্রদীপ্তানন্দ, যিনি কার্তিক মহারাজ নামেও পরিচিত, আধ্যাত্মিক জগতে এক পরিচিত মুখ। তাঁর শিক্ষা ও নির্দেশনা লক্ষাধিক মানুষের জীবনকে আলোকিত করেছে। তিনি সমাজে শান্তি ও নৈতিকতার প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন।
৬. **নগেন্দ্রনাথ রায় (সাহিত্য ও শিক্ষা)**
নগেন্দ্রনাথ রায় সাহিত্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রেখেছেন। তিনি বাংলা ভাষার প্রসার ও সাহিত্যচর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর শিক্ষা ও সাহিত্যিক কর্মকাণ্ড সমাজের অনেককে অনুপ্রাণিত করেছে।
৭. **পবন গোয়েঙ্কা (বাণিজ্য ক্ষেত্রে অবদান)**
পবন গোয়েঙ্কা একজন সফল উদ্যোক্তা ও শিল্পপতি, যিনি বাণিজ্য ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদান রেখেছেন। তাঁর উদ্ভাবনী ভাবনা ও নেতৃত্ব ভারতীয় শিল্পক্ষেত্রকে আরও উঁচু স্থানে নিয়ে গিয়েছে।
৮. **সজ্জন ভজঙ্ক (ব্যবসা ও বাণিজ্যে অবদান)**
সজ্জন ভজঙ্ক ব্যবসা ও বাণিজ্যে নিজের কর্মদক্ষতা ও নিষ্ঠার জন্য পরিচিত। তাঁর উদ্যোগ ও পরিশ্রম দেশের অর্থনীতির উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
৯. **বিনায়ক লোহানি (সামাজিক কাজ)**
বিনায়ক লোহানি একজন বিশিষ্ট সমাজসেবক, যিনি বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের জন্য কাজ করে চলেছেন। তাঁর মানবিক কার্যকলাপ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সাহায্য করেছে।
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন 🌿💐🌿
পশ্চিমবঙ্গের এই নয় জন গুণী ব্যক্তিত্ব তাঁদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসামান্য কৃতিত্বের মাধ্যমে পদ্মশ্রী সম্মান লাভ করেছেন। তাঁদের কাজ শুধু বাংলার নয়, গোটা দেশের গর্ব। আমরা তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞ এবং ভবিষ্যতে তাঁদের আরও সাফল্যের জন্য শুভকামনা জানাই।

1⃣)হিন্দু কারা👇👇"হিন্দু" শব্দের উৎপত্তি "হীনম দুষ্যতি ইতি হিন্দু" বা "হীনম্ দূষয়তি যঃ স হিন্দু" থেকে হয়েছে, অর্থাৎ যে ...
28/01/2025

1⃣)হিন্দু কারা👇👇
"হিন্দু" শব্দের উৎপত্তি "হীনম দুষ্যতি ইতি হিন্দু" বা "হীনম্ দূষয়তি যঃ স হিন্দু" থেকে হয়েছে, অর্থাৎ যে অজ্ঞানতা ও হীনতাকে ত্যাগ করে, তাকেই হিন্দু বলে, হিন্দু শব্দ হাজার হাজার বছর প্রাচীন, সংস্কৃত শব্দের থেকে এসেছে, যদি এই সংস্কৃত শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ করা হয় তাহলে পাওয়া যাবে,,,,
হীন + দু = হীন ভাবনা + থেকে দূর, অর্থাৎ যে হীন ভাবনার থেকে বা দুর্ভাবনা থেকে দূরে থাকে বা মুক্ত থাকে তাকেই হিন্দু বলে, আমাদের বারবার মিথ্যা বলা হয় যে মুঘলরা হিন্দু শব্দটা দিয়েছে, যেটা "সিন্ধু" থেকে "হিন্দু" হয়েছে, যেটা হিন্দুদের ভুল বোঝানো হয়েছে।
2⃣)👇👇
কোথা থেকে এসেছে এই হিন্দু শব্দ আর কোথার থেকেই উৎপত্তি:-
হিন্দু শব্দ বেদ থেকেই উৎপত্তি হয়েছে, কিছু লোক বলে সিন্ধু শব্দ থেকে হিন্দু শব্দটি এসেছে, আর এটি ফারসি শব্দ, কিন্তু এরকম কিছুই নয়, এটা শুধু মিথ্যা প্রচার, আমাদের বেদ ও পুরাণেও হিন্দু শব্দের উল্লেখ পাওয়া যায়, বিশদে জানা যাক হিন্দু শব্দের উৎপত্তি কোথা থেকে এসেছে, "ঋগ্বেদের বৃহস্পতি অগ্যমে" হিন্দু শব্দের উল্লেখ এইরকম,,,,
"হিমালয়ং সমারম্ভম যাওদ্ ইন্দুসরোবরং তং দেব নির্মিতং দেশং হিন্দুস্তানং প্রচক্ষতে" অর্থাৎ
হিমালয় থেকে ইন্দু সরোবর পর্যন্ত বিস্তৃত দেবনির্মিত দেশকে হিন্দুস্থান বলা হয়, শুধু বেদ নয় শৈব গ্রন্থেও হিন্দু শব্দের উল্লেখ এইরকম করা হয়েছে,,,, হীনম চ হিন্দুরীত্যুচ্চ দুষ্যতেব তে প্রিয়ে, অর্থাৎ যে অজ্ঞানতা ও হীনতাকে ত্যাগ করে তাকেই হিন্দু বলা হয়, এইরকম প্রায় একই কথা "কল্পদ্রুমে" লেখা আছে, হীনম দুষ্যতি ইতি হিন্দু, অর্থাৎ অজ্ঞানতা হীনতা ত্যাগ করা ব্যক্তিকেই হিন্দু বলা হয়,
3⃣)👇👇পারিজাত হরণে হিন্দুকে কিছুটা এইরকম ভাবে ব্যক্ত করা হয়েছে,,,,
"হিনাস্তি তপসা পাপাং দৈহিকাং দুষ্টং, হেতিভি: শত্রুবর্গ স চ হিন্দুরভিধিয়তে" অর্থাৎ যে নিজের তপস্যার দ্বারা দুষ্ট ও শত্রুর পাপ নাশ করে সেই হলো হিন্দু, মাধব দীগ্বিজয়ে হিন্দু শব্দের ব্যাখ্যা কিছুটা এইরকম উল্লেখ করা হয়েছে,,,,
"ওমকারামন্ত্রমুলাধ্যায়া পুনর্জন্ম দৃঢ়াশ্চয়:, গৌভক্ত ভারত: গরুহিন্দুহিসন দুষক:", অর্থাৎ যে ওমকারকে ঈশ্বরীও শব্দ মানে, কর্মে বিশ্বাস করে, গো-পালক হয়, অশুভ অধর্মকে দূরে রাখে সেই হিন্দু হয়,
4⃣)👇👇শুধু এটাই নয় আমাদের ঋগ্বেদে হিন্দু নামের অনেক পরাক্রমী ও দানবীর রাজার নাম উল্লেখ আছে, যারা 46 হাজার গোমাতা দানে দিয়েছিল, আর "ঋগ্বেদ মন্ডলেও" এর উল্লেখ আছে, অশুভ ও অধর্মকে সর্বদা দূর করার প্রয়াসকারীকে, ও সনাতন ধর্মের পালন পোষণকারীকে হিন্দু বলা হয়,
"হিনস্তু দুরিতাম"

Address

Kalna

Telephone

+918944062599

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Gurukul Kalna গুরুকুল কালনা 713409 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share