18/04/2024
গরমে সুস্থ থাকতে আমিষ নাকি নিরামিষ খাবারের উপর ধরবেন বাজি? জানুন পুষ্টিবিদের মতামত!
-
এই সময় আমিষ খাবার খেতে হলে তা রান্নার সময় বেশি তেল, মশলা ব্যবহার করা চলবে না। তার বদলে হালকা করে রাঁধা ডিম, মাছ, মাংস রোজ ডায়েটে রাখুন। এই কাজটা করলেই কিন্তু কোনও সমস্যার ফাঁদে পড়ে কষ্ট পেতে হবে না। ঠিক একইভাবে নিরামিষ পদেও বেশি তেল, মশলা দেবেন না। এই ভুলটা করলে এইসব খাবারের পুষ্টিগুণ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যাবে। এমনকী এই ভুলের কারণে পিছু নিতে পারে গ্যাস, অ্যাসিডিটির মতো সমস্যা। তাই সুস্থ থাকতে প্রায় তেল-মশলা বর্জিত নিরামিষ রান্না খাওয়ার চেষ্টা করুন।
আমাদের দেশের নিরামিশাষীদের একাংশের শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি থাকে। ফলে তাঁরা নানাবিধ সমস্যার ফাঁদে পড়ে বেজায় কষ্ট পান। তাই সুস্থ সবল জীবন কাটাতে চাইলে নিরামিষ আহারকারীরা রোজের পাতে ডাল, সোয়াবিন এবং দুগ্ধজাত খাবারকে জায়গা করে দিন। এই কাজটা সেরে ফেললেই কিন্তু শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি মিটে যাবে।
অন্যদিকে আবার আমিশাষীদের একাংশ ফল, শাক, সবজির থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখেন। আর সেই কারণেই তাঁদের শরীরে ভিটামিন, খনিজের অভাব হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। তাই আপনারও যদি এই বদভ্যাস থাকে, তাহলে যত দ্রুত সম্ভব মরশুমি শাক, সবজি এবং ফলের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে নিন। তাতেই ফিরবে স্বাস্থ্যের হাল।
এই গরমে স্যাচুরেটেড ফ্যাট সমৃদ্ধ পাঁঠার মাংস খাওয়া চলবে না। এর পাশাপাশি এড়িয়ে চলতে হবে বোয়াল এবং আর মাছ। কারণ এইসব মাছে রয়েছে ফ্যাটের ভাণ্ডার যা কিনা হজমক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটানোর কাজে সিদ্ধহস্ত। এছাড়াও এই সময় শিঙি, মাগুরের মতো মাছের থেকেও দূরত্ব বাড়িয়ে নিন। আশা করছি, এই কয়েকটি নিয়ম মেনে চললেই আপনাদের আর রোগের ফাঁদে পড়তে হবে না।
গরমে শরীরে পর্যাপ্ত জলের জোগান দিতেই হবে। নইলে অচিরেই দেহে সিঁধ কাটবে ডিহাইড্রেশন। তাই এই সময় প্রতিদিন অন্ততপক্ষে ৩ লিটার জলপান করুন। এমনকী জলের পাশাপাশি ডাবের জল, ফলের রস এবং ওআরএস ওয়াটারও খেতে পারেন। তাতেই উপকার পাবেন হাতেনাতে।
Authored By সায়ন নস্কর