29/10/2026
বাকলাভা শুধু একটি মিষ্টি খাবার নয়, এর প্রতিটি স্তরের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বহু শতাব্দীর ইতিহাস, ঐতিহ্য আর কারুশিল্প।
বাকলাভার উৎপত্তি নিয়ে আজও বিভিন্ন মত রয়েছে। তুরস্ক, গ্রিস, মধ্যপ্রাচ্য ও মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলের খাদ্যসংস্কৃতির সঙ্গে এর ইতিহাস জড়িয়ে আছে। তবে বর্তমানে আমরা যে বাকলাভা চিনি, তার পরিচিত রূপটি মূলত অটোমান সাম্রাজ্যের সময়, বিশেষ করে তুরস্কের রাজকীয় রান্নাঘরে, পরিপূর্ণতা লাভ করে।
ধারণা করা হয়, পঞ্চদশ শতাব্দীর মধ্যেই বাকলাভা বেশ পরিচিত হয়ে উঠেছিল। অটোমান আমলে রাজপ্রাসাদ, বিশেষ অনুষ্ঠান এবং রমজানের বিশেষ আয়োজনেও এই মিষ্টির গুরুত্বপূর্ণ স্থান ছিল। একসময় বাকলাভা ছিল আভিজাত্য ও বিশেষ আয়োজনের খাবার। কারণ, এর প্রতিটি স্তর নিখুঁতভাবে তৈরি করা ছিল বেশ সময়সাপেক্ষ ও দক্ষতার কাজ।
বাকলাভার বিশেষত্ব হলো এর অতি পাতলা পেস্ট্রির স্তর, ভেতরে পেস্তা, আখরোট বা অন্যান্য বাদামের পুর, আর ওপরে মধু কিংবা চিনির সিরাপের মিষ্টি আবরণ। বাইরে মচমচে, ভেতরে বাদামের সমৃদ্ধ স্বাদ—সব মিলিয়ে এটি এক অনন্য অভিজ্ঞতা।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাকলাভা তুরস্কের সীমানা পেরিয়ে গ্রিস, মধ্যপ্রাচ্য, বলকান অঞ্চলসহ পৃথিবীর নানা দেশে।